×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

২৫ জুলাই ২০২১ ই-পেপার

চিদম্বরম শিকার প্রতিহিংসার: দল

নিজস্ব সংবাদদাতা
নয়াদিল্লি ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৪:১৭
পি চিদম্বরম।

পি চিদম্বরম।

আইএনএক্স মিডিয়ায় বিদেশি লগ্নির ফাইলে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম ছাড়াও ছিল ১০ অফিসারের ১১টি সই। কিন্তু সকলকে ছেড়ে শুধু প্রাক্তন মন্ত্রীকে নিশানা করে তিহাড় জেলে পাঠানো আসলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার প্রমাণ বলে দাবি করল কংগ্রেস। বার্তা দিল তাঁর পাশে থাকার। কিন্তু সিবিআই সূত্রে পাল্টা দাবি, চিদম্বরম যে ভাবে ক্রমাগত সমন এড়াচ্ছিলেন, তাতে তাঁর বিদেশে পালানোর সম্ভাবনা ছিল। জামিনের বিরোধিতা সেই জন্যই। দিল্লি হাইকোর্টে চিদম্বরম জামিনের আর্জি জানানোয়, শুক্রবারও যে কারণে পাল্টা হলফনামা জমা দিয়েছে তারা।

কিছু দিন আগেই পরিবার মারফত করা টুইটে চিদম্বরম প্রশ্ন তুলেছিলেন, আইএনএক্স মিডিয়ার ফাইলে সই থাকা অফিসাররা কেউ ভুল করেননি। সেই কারণেই তাঁদের ছোঁয়নি তদন্তকারী সংস্থা। তা হলে একা তাঁকে কেন দোষী ঠাওরানো হল? শুক্রবার কংগ্রেসের সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠকে কার্যত সেই প্রশ্নই দলের মঞ্চ থেকে তুললেন জয়রাম রমেশ।

প্রাক্তন পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বিদেশি বিনিয়োগের ছাড়পত্র সংক্রান্ত ফাইল প্রথমে যায় বিদেশি লগ্নি উন্নয়ন পর্ষদে। সেখানে ছয় অফিসার তা খতিয়ে দেখেন। পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে যার মাথায় থাকেন খোদ অর্থ সচিব। তার পরে সেই ফাইল যায় অর্থ মন্ত্রকে। সেখানে ফের তা খতিয়ে দেখেন পাঁচ অফিসার। আন্ডার সেক্রেটারি, উপসচিব, যুগ্মসচিব, অতিরিক্ত সচিব এবং অর্থসচিব। তাঁর দাবি, আইএনএক্স মিডিয়ার ফাইল চিদম্বরমের টেবিলে পৌঁছনোর আগে সেখানে এই ১০ অফিসারের ১১টি সই ছিল। তা-ও কোনও নোট ছাড়া। এখনও পর্যন্ত তাঁদের কারও বিরুদ্ধে কোনও কথা শোনা যায়নি তদন্তকারী সংস্থার কাছ থেকে। তাঁর প্রশ্ন, তাহলে সেই ফাইলে শুধু ১২তম স্বাক্ষরকারীই (চিদম্বরম) দোষী সাব্যস্ত হলেন কী ভাবে? বিশেষত যেখানে বিদেশি লগ্নি ছাড়া আরও তেইশটি বিষয় ওই ফাইলে ছিল!

Advertisement

জয়রামের অভিযোগ, এটি শুধু প্রাক্তন বাণিজ্য, অর্থ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর চরিত্র হননের ষড়যন্ত্র নয়, সেই সঙ্গে কংগ্রেসকেও অপদস্থ করার চেষ্টা।

উল্টো দিকে সিবিআই সূত্রের দাবি, এই দুর্নীতির মূল চক্রী চিদম্বরমই। তার উপরে বার বার তদন্তকারী সংস্থার সমন এড়াচ্ছিলেন তিনি। তিনি বিদেশে পালাতে পারেন বলে খবর আসছিল। তা ছাড়া, এই কাণ্ডে অন্যদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তেমন প্রমাণ পাওয়া গেলে, আলাদা ভাবে মামলা দায়ের করা হবে।

Advertisement