Advertisement
E-Paper

এড্‌সে আক্রান্ত শিশু, ত্রিমুখী তদন্ত অসমে

শিশুর এডস আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিল রাজ্য মানবাধিকার কমিশন। মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈও এ নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। গত বছর এপ্রিলে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বছর দুয়েকের শিশুটিকে গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ মে ২০১৬ ০৩:২৭

শিশুর এডস আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিল রাজ্য মানবাধিকার কমিশন। মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈও এ নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। গত বছর এপ্রিলে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বছর দুয়েকের শিশুটিকে গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। তার বেশ কয়েকবার অস্ত্রোপচারও হয়। দেওয়া হয় ছ’বোতল রক্ত। মাস ছয়েক ভর্তি থাকার পরে তাকে বাড়ি নিয়ে যায় পরিবার। এ বছর এপ্রিলে সে ফের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরে জানা যায় তার রক্তে এইচআইভি জীবাণুর সংক্রমণ হয়েছে। এ নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই শিশুর বাবা-মা। তাঁরা অভিযোগ করেন, হাসপাতালের প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের প্রধান সীমারেখা দেবী ঘটনাটি গোপন রাখতে চাপ দিয়েছিলেন। হাসপাতালের তরফে এ নিয়ে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গড়া হয়েছে। গত কাল দিল্লি থেকে মুখ্যমন্ত্রী ওই ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘ঘটনাটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। রাজ্য সরকার ওই শিশুর চিকিৎসার সব ভার নেবে, পরিবারটিকেও যথাসম্ভব সাহায্য করবে সরকার। দোষীদের চিহ্নিত করে শাস্তিও দেওয়া হবে।’’ রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপার্সন বিচারপতি এ এইচ শইকিয়া, সদস্য টি ফুকনরা ঘটনাটি নিয়ে নিজেরাই তৎপর হয়েছেন। রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দেন। এক মাসের মধ্যে সরকারের কাছে তদন্ত রিপোর্ট চেয়েছেন বিচারপতি শইকিয়া। চিকিৎসক সীমারেখা দেবীর ভূমিকারও সমালোচনা করেছে কমিশন।

রাজ্য এডস কন্ট্রোল সোসাইটিও হাসপাতালের তরফে শিশুটির রক্তপরীক্ষার রিপোর্ট চাপা দেওয়া ও ঘটনা গোপন রাখার চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ তুলেছে। তাদের বক্তব্য, নিয়ম মতো হাসপাতালে কোনও রোগীর রক্তে এইচআইভি মিললে হাসপাতালের তরফেই সোসাইটিকে জানানো হয়। কিন্তু শিশুটির ক্ষেত্রে তা করা হয়নি। উল্টে পরিবারকেও অন্ধকারে রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল। সোসাইটি নিজের তরফে এ নিয়ে অভিযোগ দায়ের করেছে। রাজ্যে এডস আন্দোলনের পুরোধা জাহ্নবী গোস্বামী বলেন, ‘‘হাসপাতাল শিশুটির বাবা-মাকে বলেছিল, ছেলের এডস হয়েছে জানতে পারলে সমাজ তাকে একঘরে করে দেবে। তাই এ কথা যেন পাঁচ কান না হয়।’’ তাঁর মতে, রাজ্যের সবচেয়ে বড় হাসপাতালের চিকিৎসকদের এমন মনোভাব অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy