পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের জেরে ভারতের জ্বালানি এবং সারের বাজারে আশঙ্কা রয়েছে ঠিকই। কত দিনে যুদ্ধ শেষ হবে এখনও অনিশ্চিত। কিন্তু এখনও আতঙ্ক ছড়ানোর কোনও কারণ ঘটেনি বলে আজ কেন্দ্রীয় পরিবহণ, পর্যটন এবং সংস্কৃতি মন্ত্রকের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আশ্বস্ত করলেন সরকারের কর্তারা।
পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতার কারণে ভারতের সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহণের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে আজকের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বন্দর ও জাহাজ চলাচল মন্ত্রক, বিদেশ মন্ত্রক, পেট্রলিয়াম মন্ত্রক এবং বাণিজ্য মন্ত্রকের কর্তারা। জেডিইউ সাংসদ সঞ্জয় ঝা-র নেতৃত্বে গঠিত সংসদীয় কমিটির এই বৈঠকের পর, সূত্রের খবর, পেট্রলিয়াম মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ৭৮ দিনের মতো অশোধিত তেল দেশে মজুত রয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ৮০ লাখ টন সারও বিভিন্ন দেশ থেকে আনা রয়েছে।
অন্য দিকে আজ সাংবাদিক সম্মেলনে কেন্দ্রীয় সার ও রসায়ন মন্ত্রক জানিয়েছে, ভারতের সারের নিরাপত্তা যথেষ্ট পোক্ত এবং সুস্থির। বিষয়টিকে ভাল ভাবেই সামলানো হচ্ছে। সমস্ত প্রধান সারের ক্ষেত্রে চাহিদার তুলনায় বাজারে মজুত বাড়ছে। গোটা দেশের যা মজুত রয়েছে, তা স্বস্তিজনক। সরকারের পক্ষ থেকে জানানোহয়েছে, ২০২৬-এর আসন্ন খরিফ মরসুমে কৃষি মন্ত্রক হিসাব করে দেখেছে মোট সারের প্রয়োজন ৩৯০.৫৪ লাখ মেট্রিক টন। দেশে এই মুহূর্তে রয়েছে প্রায় ২০০ লাখ মেট্রিক টন সার। এতে মোট প্রয়োজনের ৫১ শতাংশ মিটে যাবে। এ ছাড়া সাধারণত ৩৩ শতাংশ ‘বাফার’ মজুত থাকে। এ বছর তা অনেকটাই বেশি রয়েছেবলে দাবি।
তবে সমস্যার জায়গাগুলিও তুলে ধরা হয়েছে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে। সূত্রের খবর, হরমুজ় অবরোধের পরে আমেরিকারও জলপথে কিছু জায়গায় অবরোধ রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে হরমুজ় প্রণালী দিয়ে জাহাজ যাতায়াতে বিমার মাশুল ১০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)