মাত্র এক ভোটের ব্যবধানে পরাস্ত হয়েছেন। তা নিয়ে এ বার মাদ্রাজ হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন ডিএমকে নেতা কে আর পেরিয়াকরুপ্পন। গণনার ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করেছেন তিনি। তাঁকে হারানো প্রার্থীর বিধায়ক পদে শপথ আটকানোর জন্য আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন পেরিয়াকরুপ্পন। তাঁর মামলার প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য জানতে চেয়েছে আদালত।
ডিএমকে নেতা তথা তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মন্ত্রী পেরিয়াকরুপ্পন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তিরুপাত্তুর আসন থেকে। তাঁর বিপরীতে প্রার্থী ছিলেন টিভিকে-র শ্রীনিবাস সেতুপতি। টিভিকে প্রার্থীর কাছে মাত্র এক ভোটে পরাস্ত হয়েছেন তিনি। বস্তুত, তামিলনাড়ুতে একই নামে দু’টি বিধানসভা আসন রয়েছে। দু’টি আসনেরই নাম তিরুপাত্তুর। তবে আসনের ক্রমিক নম্বর আলাদা। পেরিয়াকরুপ্পন এবং সেতুপতির লড়াই ১৮৫ নম্বর ছিল তিরুপাত্তুর আসনে। অপর তিরুপাত্তুর আসনের ক্রমিক নম্বর ৫০। মামলাকারী ডিএমকে প্রার্থীর দাবি, সমনামী দু’টি আসন হওয়াতেই বিপত্তি হয়েছে। তাঁর আসনের একটি পোস্টাল ব্যালট অপর তিরুপাত্তুর আসনের পোস্টাল ব্যালটের সঙ্গে গণনা হয়েছে বলে দাবি পেরিয়াকরুপ্পনের।
তাঁর আবেদনের প্রেক্ষিতে রবিবার ছুটির দিনে মাদ্রাজ হাই কোর্টে বিশেষ শুনানি হয়। বিচারপতি এল ভিক্টোরিয়া গৌরী এবং বিচারপতি এন সেন্টিল কুমারের অবকাশকালীন বেঞ্চে প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে শুনানি চলে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে কী করণীয় বা কী পদ্ধতি অনুসরণ করা দরকার, তা কমিশনের কাছে জানতে চায় দুই বিচারপতির বেঞ্চ। রবিবার কমিশনের তরফে শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী তরুণ রাও। তিনি এজলাসে জানান, নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাওয়ার পরে রিটার্নিং অফিসারের কার্যকালও শেষ হয়ে যায়।
আরও পড়ুন:
কমিশনের আইনজীবী আরও জানান, গণনার ফলকে চ্যালেঞ্জ করতে হলে তা একমাত্র ‘ইলেকশন পিটিশন’-এর মাধ্যমেই হওয়া উচিত। এ ক্ষেত্রে মামলাকারী ভোটের ফলকে ভিন্ন উপায়ে চ্যালেঞ্জ করছেন বলে মনে করছেন কমিশনের আইনজীবী। এই ধরনের পরিস্থিতিতে কী করণীয়, তা আগামী সোমবার হলফনামা আকারে আদালতে জমা দেওয়ার জন্য কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট। সোমবার ফের এই মামলাটি শুনানির জন্য উঠবে আদালতে।