Advertisement
E-Paper

ঋণ আদায়ের নামে হেনস্থা! আর্থিক সংস্থার কর্মীরা ফিরে যেতেই চরম পদক্ষেপ প্রবীণ দম্পতির

গ্রামের প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান ধীরেন্দ্র বেহেরা জানিয়েছেন, গ্রামের বেশির ভাগই কৃষক। তাঁরা বিপাকে পড়ে বেসরকারি আর্থিক সংস্থার থেকে ঋণ নেন। তার পর হেনস্থার শিকার হন।

আনন্দবাজার অনলাইন ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৩ ১৫:১৯
image of dead body

ছবি: প্রতিনিধিত্বমূলক।

প্রবীণ দম্পতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার। ওড়িশার পুরী জেলার আনলাজোড়ি গ্রামের ঘটনা। রবিবার সকালে তাঁদের বাড়িতে ওই দম্পতির ঝুলন্ত দেহ মিলেছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ঋণ শোধ করতে না পেরে আত্মঘাতী হয়েছেন দম্পতি।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রবীণের নাম বনম্বর বেহেরা। স্ত্রীর নাম বনিতা। রবিবার সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। প্রবীণ দম্পতিকে শীঘ্র হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকেরা তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন।

প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানতে পেরেছে, একটি বেসরকারি সংস্থা থেকে টাকা ধার নিয়েছিলেন দম্পতি। মৃত দম্পতির ছেলে প্রবীণ বেহেরা বলেন, ‘‘আমি শনিবার ভুবনেশ্বরে ছিলাম। তখন বাবা ফোন করেছিলেন। বলছিলেন, যে আর্থিক সংস্থার থেকে টাকা ধার নিয়েছিলেন, তাঁদের কর্মীরা বাড়িতে এসে টাকা ফেরত চাইছিলেন। আমি যখন গ্রামে গিয়েছিলাম, বাবা-মাকে ধার শোধ করার কথাও বলেছিলাম। আজ শুনছি, দু’জনে আত্মাহত্যা করেছেন।’’

গ্রামের প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান ধীরেন্দ্র বেহেরা জানিয়েছেন, গ্রামের বেশির ভাগই কৃষক। তাঁরা বিপাকে পড়ে বেসরকারি আর্থিক সংস্থার থেকে ঋণ নেন। অনেক ক্ষেত্রেই ঋণ আদায় করতে সাধারণ মানুষকে হেনস্থা করেন সংস্থার কর্মীরা। তাঁদের ঋণগ্রহীতার সম্পর্কে জেনেবুঝেই ঋণ দেওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, ‘‘শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ৩০ নাগাদ ওই দম্পতির বাড়িতে এসেছিলেন আর্থিক সংস্থার কর্মীরা। অনেক রাত পর্যন্ত সেখানে ছিলেন তাঁরা।’’ স্থানীয়দের অভিযোগ, বেসরকারি আর্থিক সংস্থাগুলি অনেক সময় ২৬ শতাংশ সুদের হারে ঋণের টাকা আদায় করে। তাঁরা এই বিষয়ে সরকারি হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

Death Old Couple Suicide Loan
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy