Advertisement
E-Paper

দুইয়ের বেশি সন্তানে বন্ধ সরকারি চাকরি

জনবিস্ফোরণ রুখতে বিধানসভা অধিবেশনে জনসংখ্যা নীতি সংক্রান্ত বিল পেশ করতে পারে রাজ্য সরকার। নতুন জনসংখ্যা নীতিতে দুইয়ের বেশি সন্তান হলেই ছাঁটাই হবেন সরকারি কর্মী।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৩:২২

জনবিস্ফোরণ রুখতে বিধানসভা অধিবেশনে জনসংখ্যা নীতি সংক্রান্ত বিল পেশ করতে পারে রাজ্য সরকার। নতুন জনসংখ্যা নীতিতে দুইয়ের বেশি সন্তান হলেই ছাঁটাই হবেন সরকারি কর্মী। দুইয়ের বেশি সন্তান থাকা ব্যক্তি সরকারি চাকরির আবেদন করতেই পারবেন না। লড়তে পারবেন না পঞ্চায়েত নির্বাচনে। দুইয়ের বেশি সন্তান থাকলে বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধে থেকেও বঞ্চিত হবে সেই পরিবার। স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা এ কথা জানিয়ে বলেন, “জনবিস্ফোরণ সারা দেশে এক জ্বলন্ত সমস্যা। অসমের মতো সীমিত সম্পদের রাজ্যে জনসংখ্যায় রাশ টানতেই হবে। তাই রাজস্থানের আদলে এখানে জনসংখ্যা নীতি আনতে তৎপর হচ্ছে রাজ্য।”

বিজেপি সূত্রে খবর, রাজ্যে ভূমিপুত্রদের স্বার্থ সুরক্ষিত করবে এই আইন। কারণ, অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভূমিপুত্রদের সন্তান সংখ্যা বেশি নয়। কিন্তু ‘বহিরাগত’দের সাত-আটটি করে সন্তান হচ্ছে। চর-চাপরি এলাকা—যেখানে অনুপ্রেবেশের অভিযোগ সর্বাধিক, সেখানেও জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার অত্যন্ত বেশি। তাই জনসংখ্যা নীতিতে এক ঢিলে দুই পাখি মারবে সরকার।

কী থাকতে পারে আসন্ন জনসংখ্যা নীতিতে?

হিমন্ত জানান, এই নীতির খসড়া তৈরির জন্য রাজ্য সরকার পাঁচ সদস্যের কমিটি গড়েছে। ওই কমিটি ৪৫ দিনের মধ্যে তাদের রিপোর্ট জমা দেবে। প্রাথমিক চিন্তাভাবনা অনুযায়ী ওই নীতিতে যে বিষয়গুলি ঢোকানোর কথা হয়েছে—তা হল, সরকারি কর্মীরা দু’টির বেশি সন্তানের জন্ম দিতে পারবেন না। দুইয়ের বেশি সন্তান থাকা ব্যক্তি সরকারি চাকরির আবেদন করতে পারবেন না। চাকরিরত অবস্থায় তৃতীয় সন্তানের জন্ম হলে চাকরি যেতে পারে বা অন্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

যাঁদের ইতিমধ্যে তিন বা তার বেশি সন্তান রয়েছে, তাঁদের বিষয়টি বিবেচনাধীন। কোনও বিশেষ কারণে তৃতীয় সন্তান নিতে হলে আগে থেকে সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরের অনুমতি নিতে হবে। দু’টির বেশি সন্তান থাকলে পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া যাবে না। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভূক্ত হবে। এবং ম্যাট্রিকে এ নিয়ে আবশ্যিক প্রশ্ন থাকবে। ছেলেদের ২১ ও মেয়েদের ১৮ বছরের নীচে বিয়ে হওয়া আইনত দণ্ডনীয়, তাই তেমন ব্যক্তির ক্ষেত্রে পাসপোর্টও মিলবে না। মিলবে না সরকারি কোনও প্রকল্পের সুবিধে। রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে একটি করে মেয়েদের কলেজ গড়ার পরিকল্পনাও রয়েছে শিক্ষামন্ত্রীর।

Assam Government Employees
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy