×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

২৪ জুন ২০২১ ই-পেপার

কৃষকদের পাশে এ বার বিজেন্দ্র, আইন প্রত্যাহার না করলে খেলরত্ন ফেরানোর হুঁশিয়ারি

সংবাদ সংস্থা
নয়াদিল্লি ০৬ ডিসেম্বর ২০২০ ১৫:০৫
সিঙ্ঘু সীমানায় বিজেন্দ্র। —নিজস্ব চিত্র।

সিঙ্ঘু সীমানায় বিজেন্দ্র। —নিজস্ব চিত্র।

দিলজিৎ দোসাঞ্জের পর বিজেন্দ্র সিংহ

সিঙ্ঘু সীমানায় গিয়ে আন্দোলকারী কৃষকদের পাশে দাঁড়ালেন অলিম্পিক পদকজয়ী বক্সার তথা কংগ্রেস সদস্য বিজেন্দ্র সিংহ। কেন্দ্রীয় সরকার বিতর্কিত কৃষি আইন প্রত্যাহার না করলে খেলরত্ন পুরস্কার ফিরিয়ে দেবেন বলেও জানালেন তিনি।

গত ১১ দিন ধরে দিল্লি-হরিয়ানার সংযোগস্থল সিঙ্ঘু সীমানায় অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন হাজার হাজার কৃষক। তাঁদের সমর্থনে আগেই মুখ খুলেছিলেন বিজেন্দ্র। রবিবার সটান নিজে সিঙ্ঘু সীমানায় হাজির হন। সেখানে বলেন,‘‘সরকার তিনটি কালো আইন প্রত্যাহার না করলে ক্রীড়াজগতের সর্বোচ্চ সম্মান রাজীব গাঁধী খেলরত্ন পুরস্কার ফিরিয়ে দেব।’’

Advertisement

আরও পড়ুন: বারাণসীতে মোদীর গড়ে ধাক্কা বিজেপির, বিধান পরিষদের ২ আসনেই এসপি-র জয়​

বিজেন্দ্র আরও বলেন, ‘‘পঞ্জাবে প্রশিক্ষণ নিয়েছি আমি। ওখানকার রুটি খেয়েছি। আজ কৃষকরা ঠান্ডায় পড়ে রয়েছেন, ভাই হিসেবে পাশে দাঁড়াতে এসেছি আমি। হরিয়ানার আরও অনেক খেলোয়াড়ই আসতে চেয়েছিলেন কিন্তু সকলেই সরকারি চাকরি করেন। এখানে এলে চাকরিতে কোপ পড়তে পারে। তবে কৃষকদের পাশেই আছেন বলে জানিয়েছেন সকলে।’’

আন্দোলনরত কৃষকদের সঙ্গে রফার চেষ্টা করলেও, এখনও পর্যন্ত তাতে সফল হয়নি কেন্দ্রীয় সরকার। বিতর্কিত তিনটি আইন সংশোধন করতে চাইলেও, তাদের প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছেন কৃষকরা। জানিয়ে দিয়েছেন আইন তিনটি সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করতে হবে সরকারকে। এ নিয়ে বুধবার দু’পক্ষের মধ্যে ফের একদফা বৈঠক ঠিক হয়েছে। তার আগের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার দেশ জুড়ে বন্‌ধের ডাক দিয়েছেন কৃষকরা।

আরও পড়ুন: শিলিগুড়ির সভায় পৌঁছে গেলেন বিমল গুরুং, ভিড় সমর্থকদের​

কৃষকদের নিজেদের দাবিতে অবিচল থাকতে দেখে বিরোধী শিবিরেও তৎপরতা শুরু হয়েছে। ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি) প্রধান তথা প্রাক্তন কৃষিমন্ত্রী শরদ পওয়ার জানিয়েছেন, সরকারের আচরণ পরিণত হওয়া দরকার। কৃষক-বিরোধী আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুধু রাজধানীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেই চলবে না, দেশের সর্বত্র এ নিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়নকে বিক্ষুব্ধ কৃষকদের অবস্থানে পাঠিয়েছিলেন তিনি। ডেরেকের ফোন থেকে নিজেও কথা বলেন কৃষকনেতাদের সঙ্গে।

Advertisement