সঙ্গীতশিল্পী গুরু রনধাওয়ার মালিকানাধীন ফ্র্যাঞ্চাইজ়ির একটি জিমের সামনে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লির পশ্চিম ভিরার এলাকায়। ওই হামলার দায় স্বীকার করে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছে জেলবন্দি ‘গ্যাংস্টার’ লরেন্স বিশ্নোইয়ের দুষ্কৃতীদল।
বিশ্নোইয়ের দুষ্কৃতীদলের অন্যতম সদস্য অনিল পণ্ডিতের দাবি, সলমন খানের ‘খুব ঘনিষ্ঠ’ হয়ে উঠেছেন সঙ্গীতশিল্পী। তাঁকে সতর্ক করার জন্যই এই হামলা করা হয়েছে। এই মর্মে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টও করেন তিনি। ওই সমাজমাধ্যম পোস্ট যাচাই করে দেখছে পুলিশ।
পশ্চিম ভিরার এলাকায় রনধাওয়ার ফিটনেস ফ্র্যাঞ্চাইজ়ির অংশ ওই জিমটি চালাতেন দিল্লির স্থানীয় এক বাসিন্দা। গুলি চলার খবর পেয়ে ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্তও। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, দুই অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী বাইকে চেপে মুখ ঢেকে জিমের সামনে আসে। সেখানে তারা বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়। তবে গুলিতে কেউ জখম হননি। পুলিশ এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখছে। ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণও সংগ্রহ করতে শুরু করেছেন তদন্তকারীরা। ওই জিমটি যে স্থানীয় বাসিন্দা চালাতেন, তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
একটি মাদক পাচার মামলায় অভিযুক্ত হিসাবে বর্তমানে গুজরাতের সবরমতী জেলে বন্দি রয়েছেন বিশ্নোই। তবে জেলের বাইরে তাঁর দুষ্কৃতীদল যথেষ্ট ‘সক্রিয়’। মহারাষ্ট্রে সলমন-ঘনিষ্ঠ এনসিপি নেতা বাবা সিদ্দিকির হত্যাকাণ্ডে নাম জড়িয়েছিল বিশ্নোই গোষ্ঠীর। অতীতে সলমন খানের বাড়ির সামনে গুলি চালানোর ঘটনাতেও অভিযুক্ত বিশ্নোইয়ের দল।
উল্লেখ্য, কৃষ্ণসার হরিণকে পুজো করেন বিশ্নোই সম্প্রদায়ের মানুষজন। সেই হরিণ হত্যার অভিযোগ রয়েছে সলমনের বিরুদ্ধে। ১৯৯৮ সালে জোধপুরে ‘হম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিংয়ে গিয়ে সলমন কৃষ্ণসার হত্যা করেছিলেন বলে অভিযোগ। ওই মামলায় অতীতে সাজাও হয় সলমনের। ২০১৮ সালে লরেন্স জেলে বসেই ঘোষণা করেছিলেন, সলমনকে খুন করবেন তিনি।