পঞ্জাবের জালন্ধরে এক মহিলা চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হল। পরিবারের অভিযোগ, চিকিৎসককে খুন করা হয়েছে। অভিযোগের আঙুল উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে।
পুলিশ জানিয়েছে, চিকিৎসকের নাম মীনাক্ষী সুদ। তাঁর স্বামী পীযূষ সুদও একজন চিকিৎসক। গত কয়েক মাস ধরে দম্পতির সম্পর্কে টানাপড়েন চলছিল। বুধবার সন্ধ্যায় মীনাক্ষীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর বাবা প্রমোদ জানিয়েছেন, ২০১৮ সালে পীযূষের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল মীনাক্ষীর। বিয়ের পর ঋণ নিয়ে একটি গাড়ি কিনেছিলেন তিনি। চাকরির বেতন দিয়েই সেই ঋণের কিস্তি মেটাচ্ছিলেন। তাঁর স্বামী পীযূষও আড়াই কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন।
মীনাক্ষীর মায়ের অভিযোগ, হাসপাতালের এক নার্সের সঙ্গে তাঁর জামাইয়ের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে নিত্যদিন বাড়িতে অশান্তি হত। মীনাক্ষীকে মারধর করা হত বলে অভিযোগ। তাঁর দাবি, মীনাক্ষী আত্মহত্যা করতে পারেন না। মানসিক দিক থেকে অত্যন্ত মজবুত ছিলেন তিনি। খুন করা হয়েছে মীনাক্ষীকে— এমনই দাবি তাঁর মায়ের।
স্বামীর বিরুদ্ধে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ ওঠায় আলাদা থাকতে শুরু করেন মীনাক্ষী। ২০২৫ সাল থেকে আলাদা ঘর নিয়ে থাকছিলেন তিনি। বিবাহবিচ্ছেদের কথাও চলছিল। তার মধ্যেই মহিলা চিকিৎসকের দেহ উদ্ধারে রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই পীযূষকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।