বাবা ছিলেন সরকারি পরিবহণ নিগমের বাসচালক। টানাটানির সংসারে এক সময় দুধও বেচতে হয়েছে তাঁকে। সেই সুখবিন্দর সিংহ সুখুই হিমাচল প্রদেশের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন। ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা ৫৮ বছর বয়সি এই কংগ্রেস নেতা হিমাচল প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন ২০১৩ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত। রাজ্যে দলের সংগঠনকে মজবুত করার কাজে তাঁর অবদানকে স্বীকার করেন বিরোধী দলের নেতারাও।
আরও পড়ুন:
রেওয়াজ বজায় রেখে বিজেপিকে সরিয়ে এ বার হিমাচলে ক্ষমতা দখল করেছে কংগ্রেস। কিন্তু ভোটের পর কংগ্রেসের মধ্যেই বিবাদ শুরু হয় মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে। দৌড়ে ছিলেন মান্ডির সাংসদ তথা প্রদেশ সভানেত্রী প্রতিভা সিংহ, বিরোধী দলনেতা মুকেশ অগ্নিহোত্রী এবং সুখু। নাম বাছাই নিয়ে সমস্যা তৈরি হওয়ায় নির্বাচিত বিধায়করা নিজেদের মধ্যে বৈঠক করে নাম স্থির করার ভার দেয় কংগ্রেস হাই কমান্ডকে। শনিবার সুখুর নামে সিলমোহর দেয় হাইকমান্ড। রবিবার সকাল ১১টায় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান।
হিমাচলের অবিসংবাদী নেতা, অধুনা প্রয়াত বীরভদ্র সিংহের সঙ্গে সুখুর সম্পর্ক ছিল চিরকালই অম্লমধুর। বীরভদ্রের স্ত্রী এবং পুত্রও মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার ছিলেন। কিন্তু তাঁদের সরিয়ে কংগ্রেস হাইকম্যান্ড সুখুর নামে সিলমোহর দেওয়ায়, এই বিরোধ আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে সুখু বলেছেন, ‘‘উপমুখ্যমন্ত্রী মুকেশ অগ্নিহোত্রী এবং আমি একটি দল হিসাবে কাজ করব। ১৭ বছর বয়সে আমি রাজনীতিতে আসি। আমি কোনও দিন ভুলতে পারব না, কংগ্রেস আমার জন্য কী করেছে।’’