Advertisement
E-Paper

অনশন উঠল কানহাইয়াদের

অনশন তুলে নিলেন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (জেএনইউ) ছাত্র সংসদ সভাপতি কানহাইয়া কুমার-সহ বাকি পড়ুয়ারা। তাঁদের বিরুদ্ধে জেএনইউ কর্তৃপক্ষের নেওয়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থায় স্থগিতাদেশ দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। বিশ্ববিদ্যালয়ের শাস্তিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে গিয়েছিলেন কানহাইয়ারা। সেই সূত্রেই আদালতের আজ এই নির্দেশ। তবে আদালতে এখনও আবেদন না করায় উমর খালিদ এবং অনির্বাণ ভট্টাচার্যের ক্ষেত্রে এই স্থগিতাদেশ প্রযোজ্য হবে না।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১৪ মে ২০১৬ ০৩:৩০

অনশন তুলে নিলেন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (জেএনইউ) ছাত্র সংসদ সভাপতি কানহাইয়া কুমার-সহ বাকি পড়ুয়ারা। তাঁদের বিরুদ্ধে জেএনইউ কর্তৃপক্ষের নেওয়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থায় স্থগিতাদেশ দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। বিশ্ববিদ্যালয়ের শাস্তিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে গিয়েছিলেন কানহাইয়ারা। সেই সূত্রেই আদালতের আজ এই নির্দেশ। তবে আদালতে এখনও আবেদন না করায় উমর খালিদ এবং অনির্বাণ ভট্টাচার্যের ক্ষেত্রে এই স্থগিতাদেশ প্রযোজ্য হবে না।

গত ৯ ফেব্রুয়ারি জেএনইউ ক্যাম্পাসে আফজল গুরুকে নিয়ে এক অনুষ্ঠানের সূত্রে গ্রেফতার হন বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন ছাত্র কানহাইয়া, উমর এবং অনির্বাণ। অভিযোগ আনা হয় দেশদ্রোহের। গোটা ঘটনায় বিতর্কের ঝড় ওঠে। ওই তিন ছাত্র পরে জামিনে মুক্তি পেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটির রিপোর্টে তাঁদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়। উপাচার্য আফজলকে নিয়ে অনুষ্ঠানে হাজির থাকার জন্য কানহাইয়াকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। ওই অনুষ্ঠানের আয়োজক হিসেবে এক সেমেস্টারের জন্য উমরকে এবং অনির্বাণকে দু’টো সেমেস্টারের বরখাস্ত করা হয়। শাস্তি হয় আরও বেশ কিছু পড়ুয়ার। এর প্রতিবাদেই বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত রিপোর্ট পুড়িয়ে ২৮ এপ্রিল থেকে শুরু হয় ছাত্রদের অনির্দিষ্ট কালের অনশন।

আদালত আজ শুনানির শুরুতেই জানায়, অনশন অবিলম্বে তুলে নিতে হবে। হাইকোর্টের মতে, কানহাইয়ারা আন্দোলন থেকে সরে এলে তবেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শাস্তির বিরুদ্ধে পড়ুয়ারা যে রিট পিটিশন করেছেন, আদালত তা শুনবে। বেঞ্চ কানহাইয়াকে নির্দেশ দেয়, ‘‘গত ১৬ দিন ধরে যে সব পড়ুয়ারা অনশন করছেন, তাঁদের আন্দোলন তোলার কথা বুঝিয়ে বলতে হবে।’’ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজকর্ম যাতে স্বাভাবিক ভাবে হয়, সে ব্যাপারেও কানহাইয়ার কাছে প্রতিশ্রুতি চেয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি মনমোহন। তাঁর কথায়, ‘‘অচলাবস্থা শেষ করতে হবে। কেউ যেন অনশনে না থাকেন।’’ কানহাইয়ার আইনজীবী রেবেকা জনকে বিচারপতি মনমোহন বলেন, ‘‘ওঁর সঙ্গে কথা বলুন। তিনি যেন পড়ুয়াদের অনশন তুলে নিতে বলেন। বিচারব্যবস্থায় আস্থা রাখুন।’’ কোর্টে উপস্থিত কানহাইয়া এবং অন্য ছাত্রদের আইনজীবীরা জানান, তাঁরা মক্কেলদের সঙ্গে কথা বলে

Advertisement

আদালতে জানাবেন।

এর পরে অনশন তুলে নেন পড়ুয়ারা। জেএনইউ ছাত্র সংসদের নেত্রী শেলা রশিদ জানান, তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গেই আলোচনা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ তাঁদের কথা শুনতে রাজি হননি। ফলে আদালতে যাওয়া ছাড়া পথ ছিল না। শেলা জানিয়েছেন, অনশন উঠলেও পড়ুয়াদের শাস্তি খারিজ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে।

kanhaiya
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy