দিল্লির বিস্ফোরণকাণ্ডে নাম জড়িয়েছে আল ফালাহ্ বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক শাহিন সইদের। তার পরেই বিভাগীয় সমিতি থেকে তাঁর নাম অপসারণ করল কানপুরের গণেশ শঙ্কর বিদ্যার্থী স্মৃতি মেডিক্যাল (জিএসভিএম) কলেজ। কলেজের এক আধিকারিক শনিবার জানান, ফার্মাকোলজি বিভাগীয় সমিতি থেকে অপসারণ করা হয়েছে শাহিনকে। তিনি আল-ফালাহ্ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক হলেও কানপুরের এই কলেজের সমিতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
২০১২ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কালপুরের ওই কলেজের ফার্মাকোলজি বিভাগের প্রধানও ছিলেন শাহিন। কলেজের এক আধিকারিক জানান, দিল্লি পুলিশ এবং সন্ত্রাসদমন শাখার থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ‘আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ’ করা হয়েছে। যাতে কলেজের ভাবমূর্তিতে আঘাত না লাগে। প্রসঙ্গত, এটিএস এবং এনআইএ-র একটি দল শুক্রবারের পরে শনিবারও জিএসভিএম কলেজে যায়। সেখানে গিয়ে শাহিনের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে। শাহিন যে বিভাগে কাজ করতেন, তদন্তকারীরা সেখানকার নথিও খতিয়ে দেখেন বলে খবর।
আরও পড়ুন:
দিল্লি বিস্ফোরণের আগের দিন অর্থাৎ ৯ নভেম্বর আল ফালহা্ থেকে গ্রেফতার করা হয় শাহীন এবং আরও এক চিকিৎসক মুজ়াম্মিলকে। তদন্তকারীদের একটি সূত্রের দাবি, জইশ জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গেও তাঁর যোগসূত্র উঠে এসেছে। আরও দাবি, শাহীনের পরিকল্পনা ছিল হামলা সফল হতেই দেশ ছেড়ে পালাবেন। ঘটনাচক্রে, দিল্লি বিস্ফোরণের সাত দিন আগে পাসপোর্ট যাচাই (ভেরিফিকেশন) করিয়েছিলেন তিনি। সূত্রের খবর, ফরিদাবাদ থেকে এক পুলিশকর্মী যাচাই করার কাজের জন্য আল ফালাহ্ বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন গত ৩ নভেম্বর। দুবাইয়ে যাওয়ার জন্য পাসপোর্টের আবেদন করেছিলেন শাহীন। আর এখান থেকেই সন্দেহ করা হচ্ছে, হামলার পরিকল্পনা ঠিকমতো সফল হলেই দেশ ছেড়ে দুবাইয়ে পালাতেন শাহীন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- দিল্লির দমকলের এক আধিকারিক জানান, একটি গাড়িতে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গিয়েছে। বিস্ফোরণের পরই আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের কয়েকটি গাড়িতেও। বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিটে। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। দমকল সূত্রে দাবি, কিছু ক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
- দিল্লিতে বিস্ফোরণ। লালকেল্লার কাছে গাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল। সেই বিস্ফোরণের কারণে লালকেল্লা মেট্রো গেটে আগুন লেগে যায়। আগুন ছড়িয়ে পড়ে আরও কয়েকটি গাড়িতে। ২৯০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধারের পরই এই ঘটনায় নাশকতা নিয়ে সন্দেহ ঘনাচ্ছে। যদিও কী কারণে বিস্ফোরণ ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
-
আরও কয়েকটি বিস্ফোরণের পরে কি আপনাদের টনক নড়বে! দিল্লি হাই কোর্টে প্রশ্নের মুখে সরকারি নজরদারি
-
‘লালকেল্লায় প্রত্যাঘাত করেছি আমরা’! বিস্ফোরণের ‘কৃতিত্ব’ নিলেন পাক অধিকৃত কাশ্মীরের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী
-
লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের আগে উমর নিজেই বোমা তৈরি করেন পার্কিংয়ে বসে! তদন্তের অগ্রগতিতে উঠে এল নয়া তথ্য
-
কাশ্মীরে জইশ পোস্টার থেকে দিল্লি বিস্ফোরণ, স্পষ্ট হচ্ছে ‘মাকড়সার জালের’ ছবি?
-
‘আত্মঘাতী বোমারুদের নিয়ে সমাজে ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে’! বিস্ফোরণের আগে উমরের ভিডিয়ো প্রকাশ্যে, কী বলেছেন?