×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ই-পেপার

‘দেশ কি বেটি’ বনাম ‘কন্যাশ্রী’, জাতীয় কন্যা সন্তান দিবসে মোদী-মমতা টুইটে তরজা

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ২৪ জানুয়ারি ২০২১ ১২:০৭
মোদী ও মমতা। — ফাইল চিত্র

মোদী ও মমতা। — ফাইল চিত্র

‘পরাক্রম দিবস’ বনাম ‘দেশনায়ক দিবস’-এর পর এ বার ‘দেশ কি বেটি’ বনাম ‘কন্যাশ্রী’।

আজ, রবিবার জাতীয় কন্যা সন্তান দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের টুইটে স্থান পেল কেন্দ্র এবং রাজ্যের দুই ভিন্ন প্রকল্পের কথা। যে দুই প্রকল্পই কন্যা সন্তানদের নিয়ে। প্রত্যাশিত ভাবে সেখানেও বজায় থাকল নেতাজির জন্মজয়ন্তী ঘিরে ‘পরাক্রম দিবস’ বনাম ‘দেশনায়ক দিবস’-এর কেন্দ্র-রাজ্য দ্বৈরথ।

রবিবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইটে লেখেন, ‘আজ জাতীয় কন্যা সন্তান দিবস। বাংলায় কন্যাশ্রী প্রকল্প মেয়েদের ক্ষমতায়নে সাহায্য করেছে। ২০০৭ সালে রাষ্ট্রপুঞ্জ এই প্রকল্পকে স্বীকৃতি দিয়ে প্রথম পুরস্কার দিয়েছে। এই প্রকল্পের অধীনে স্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে ৬৯ লক্ষ মেয়ে আর্থিক সাহায্য পায়’।

Advertisement

রবিবার সকালেই এই একই বিযয়ে টুইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। লেখেন, ‘জাতীয় কন্যা সন্তান দিবসে আমরা আমাদের দেশ কি বেটিদের সম্মান জানাচ্ছি, যারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের প্রমাণ করেছেন। মেয়েদের ক্ষমতায়নে কেন্দ্রীয় সরকার একগুচ্ছ প্রকল্প নিয়েছে। তাদের পড়াশোনা থেকে চিকিৎসা সংক্রান্ত সুযোগ এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেওয়া হয়’। কেন্দ্রীয় সরকারের ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ প্রকল্পের কথাও এই প্রসঙ্গে স্মরণ বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তথা সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়-সহ বিজেপির বহু নেতা। যাঁরা মেয়েদের উন্নতির জন্য কাজ করেন, মোদী টুইটে তাঁদেরও প্রশংসা করেছেন।



২৪ জানুয়ারির দিনটি জাতীয় কন্যা সন্তান দিবস হিসাবে পালিত হয়। ২০০৮ সালে ভারত সরকার এবং মহিলা ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রক লিঙ্গ সমতা সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ শুরু করে। কন্যা ভ্রূণহত্যা ও কন্যা শিশু হত্যা কেন অপরাধ এবং তা সমাজকে কী ভাবে প্রভাবিত করে, তা মানুষকে বোঝানোর জন্য কয়েক বছর ধরে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ করেছে। এই উপলক্ষেই, প্রতি বছর ২৪ জানুয়ারি জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত হয়। সমাজে মেয়েদের যে লিঙ্গ বৈষম্যের মুখোমুখি হতে হয়, সে সম্পর্কে সচেতনতা গড়ার লক্ষ্যেই এই দিনটি উদযাপিত হয়।

অবধারিত ভাবে সেই দিনটি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নরেন্দ্র মোদীর টুইটেও এসে পড়ল রাজ্য-কেন্দ্র দ্বৈরথের ছবি। শনিবারই নেতাজির জন্মজয়ন্তী ঘিরে মোদী-মমতার টুইটে এসেছিল ‘পরাক্রম দিবস’ এবং ‘দেশনায়ক দিবস’-এর কথা। মমতা পরে বক্তৃতার সময় বলেওছিলেন, কেন তিনি নেতাজির জন্মদিনটি দেশনায়ক দিবস হিসাবে পালন করার কথা বলেছেন। এর পর ফের দু’জনের টুইট জাতীয় কন্যা সন্তান দিবস নিয়ে।



২৪ জানুয়ারির দিনটি জাতীয় কন্যা সন্তান দিবস হিসাবে পালিত হয়। ২০০৮ সালে, ভারত সরকার এবং মহিলা ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রক, লিঙ্গ সমতা সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ শুরু করে। কন্যা ভ্রূণহত্যা ও কন্যা শিশু হত্যা কেন অপরাধ এবং তা সমাজকে কী ভাবে প্রভাবিত করে, তা মানুষকে বোঝানোর জন্য কয়েক বছর ধরে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ করেছে। এই উপলক্ষেই, প্রতি বছর ২৪ জানুয়ারি জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত হয়। সমাজে মেয়েদের যে লিঙ্গ বৈষম্যের মুখোমুখি হতে হয়, সে সম্পর্কে সচেতনতা গড়ার লক্ষ্যেই এই দিনটি উদযাপিত হয়।

অবধারিত ভাবে সেই দিনটি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নরেন্দ্র মোদীর টুইটেও এসে পড়ল রাজ্য-কেন্দ্র দ্বৈরথের ছবি। শনিবারই নেতাজির জন্মজয়ন্তী ঘিরে মোদী-মমতার টুইটে এসেছিল ‘পরাক্রম দিবস’ এবং ‘দেশনায়ক দিবস’-এর কথা। মমতা পরে বক্তৃতার সময় বলেওছিলেন, কেন তিনি নেতাজির জন্মদিনটি দেশনায়ক দিবস হিসাবে পালন করার কথা বলেছেন। এর পর ফের দু’জনের টুইট জাতীয় কন্যা সন্তান দিবস নিয়ে।

Advertisement