আন্তর্জাতিক কিডনি পাচার চক্রের হদিস পেল মহারাষ্ট্র পুলিশ। সেই ঘটনার তদন্তে নামতেই উঠে এল তামিলনাড়ুর একটি হাসপাতালের নামও। শুধু তা-ই নয়, দু’জন চিকিৎসককেও সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এক জন তামিলনাড়ুর এবং অন্য জন দিল্লির। দু’জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
রোশন কুলে নামে এক কৃষক অভিযোগ করেন, ঋণের টাকা মেটানোর জন্য তাঁকে কিডনি বিক্রি করতে বাধ্য করা হয়েছে। সেই অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তখন তারা রামকৃষ্ণ সঞ্চু নামে এক ব্যক্তির হদিস পায়। রামকৃষ্ণের সূত্র ধরে হিমাংশু নামে আরও এক জনের হদিস মেলে। তাঁর দু’জনেই কিডনি বিক্রি করেছেন আর্থিক সঙ্কটে পড়ে। পুলিশ সূত্রে খবর, এক একটি কিডনি ৫০-৮০ লক্ষ টাকায় বিক্রি হত। কিন্তু কিডনিদাতাদের ৫-৮ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়। বাকি টাকা চিকিৎসক এবং হাসপাতালের মধ্যে ভাগাভাগি হত।
তদন্ত যত এগিয়েছে, উঠে এসেছে হাসপাতাল এবং এই পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েক জন চিকিৎসকের নামও। কম্বোডিয়া থেকে কিডনি পাচারচক্র পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। এই পাচারচক্রের মাথা কে বা কারা, তারই সন্ধান চালাচ্ছে পুলিশ।