E-Paper

‘সবই রাহুলের দোষ’, তোপ কিরেনের

এ বারের বাজেট অধিবেশনের প্রথম পর্বে লোকসভায় নানাবিধ বিতর্কের সাক্ষী থেকেছে দেশ।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:০৫

রাহুল গান্ধীই চান না সুষ্ঠু ভাবে সংসদ চলুক। সংসদ চালানোর পরিবর্তে তিনি বিতর্ক বাড়াতে বেশি আগ্রহী। তাই আগামী দিনে শাসক শিবিরের সঙ্গে কংগ্রেস-সহ প্রধান বিরোধী দলগুলির বোঝাপড়া স্বাভাবিক হওয়া কার্যত অসম্ভব বলে আজ দাবি করলেন সংসদীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু।

এ বারের বাজেট অধিবেশনের প্রথম পর্বে লোকসভায় নানাবিধ বিতর্কের সাক্ষী থেকেছে দেশ। প্রধানমন্ত্রীকে কংগ্রেসের মহিলা সাংসদের শারীরিক নিহগ্রের চেষ্টার মতো অভিযোগ উঠেছে, স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছে বিরোধীরা। পাল্টা পদক্ষেপে রাহুলের সাংসদ পদ বাতিল ও তিনি যাতে আগামী দিনে নির্বাচনে লড়তে না পারেন, তার জন্য মৌলিক প্রস্তাব এনেছেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। শাসক-বিরোধী, দু’শিবিরের চরম অবস্থান দেখে সংসদীয়মন্ত্রী মনে করছেন, ‘‘আশু পরিস্থিতি সহজ হওয়ার মতো নয়।’’ আগামী ৯ মার্চ সংসদের বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হচ্ছে। কিরেনের মতে, দ্বিতীয় পর্বের একেবারে গোড়াতেই স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে। রিজিজুর মতে, ‘‘দ্বিতীয় পর্বেও যে তিক্ততা কমবে এমন কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।’’

অধিবেশন ঠিক ভাবে না চলার জন্য রাহুলের দিকেই আঙুল তুলেছেন কিরেন। তাঁর দাবি, ‘‘বেশ কিছু বিদেশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন (এনজিও) রাহুলকে বোঝাচ্ছেন যে তাঁরও (রাহুলের) দিন আসতে চলেছে। সংসদ চালানোর প্রশ্নে রাহুলের কোনও ইচ্ছা নেই। তিনি কেবল বিতর্ক বাড়াতে আগ্রহী। কিন্তু রাহুলের দিন কোনও ভাবেই আসবে না।’’ আজ রিজিজু বলেন, ‘‘নিয়ম যা বলছে, তাতে রাহুল গান্ধীর সাংসদ পদ থাকা উচিত নয়। অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব খুললে এ বিষয়ে সিদ্ধান্তনেওয়া হবে।’’

রাষ্ট্রপতির ধন্যবাদজ্ঞাপন বিতর্কের জবাবি বক্তৃতার সময়ে অনুপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। স্পিকার ওম বিড়লা পরে জানান, সে দিন প্রধানমন্ত্রীকে শারীরিক ভাবে হেনস্থা করার পরিকল্পনা ছিল কংগ্রেসের মহিলা সাংসদদের। সে কারণে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে সংসদে আসতে বারণ করেছিলেন। রিজিজু বলেন, ‘‘সে দিন কংগ্রেসের মহিলা সাংসদেরা প্রধানমন্ত্রীর টেবিলের সামনে এসে দাঁড়িয়েছিলেন। ওই সাংসদদের লক্ষ্যই ছিল, কিছু একটা ঘটানো। সে দিন মহিলা কংগ্রেসের সাংসদেরা মোদীকে আটকাতে গেলে শাসক শিবিরের সাংসদেরা পাল্টা বাধা দিতেন। এতে অবাঞ্ছিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হত। তা এড়াতে প্রধানমন্ত্রী সে দিন লোকসভায় পা দেননি।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Parliament Session

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy