মধ্যপ্রদেশের জবলপুরে বরগী বাঁধে নৌকাডুবিতে ‘গাফিলতি’র অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। অনেকেই প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন। আবহাওয়া দফতর পূর্বাভাস দিয়েছিল, ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে। হলুদ সতর্কতাও জারি করা হয়েছিল আবহাওয়া দফতরের তরফে। তার পরেও পর্যটকদের নিয়ে নর্মদায় ক্রুজ় চালানোর অনুমতি কেন দেওয়া হল, তা নিয়েই প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, যে সময় ক্রুজ়টি মাঝনদীতে ছিল, সেই সময় ঝড় ওঠে। ঝোড়ো হাওয়ার কারণে জলের ঢেউ বাড়তে থাকে। আর সেই ঢেউয়ের ধাক্কায় ক্রুজ়টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। তার পরই সেটি উল্টে যায়। সেই সময় ক্রুজ়ে ৩০ জন পর্যটক ছিলেন। স্থানীয় নৌকাচালকেরা সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকাজে নামেন। কিন্তু দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে উদ্ধারকাজে সমস্যা হচ্ছিল। স্থানীয় উদ্ধারকারীরা জানান, ক্রুজ়টির সামনের দিক জলের নীচে চলে যাওয়ায় উদ্ধারকাজে বাধা পাচ্ছিল। তা ছাড়া অনেকেই ভিতরে আটকে পড়েছিলেন।
আরও পড়ুন:
এই দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে ফেরা এক পর্যটকের দাবি, সকলকে লাইফজ্যাকেট দেওয়া হয়নি। যখন ক্রুজ়ে জল ঢুকতে শুরু করে, তখন লাইফজ্যাকেট দেওয়া হয়। কিন্তু তত ক্ষণে ক্রুজ়ে অনেকটাই জল ঢুকে গিয়েছিল। খবর পেয়েই উদ্ধারকাজে নামে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। পরে আরও উদ্ধারকারী দল আসে। কিন্তু তত ক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় নর্মদায় ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায় পর্যটকবোঝাই ক্রুজ়। তাতে ন’জনের মৃত্যু হয়। নিখোঁজ কয়েক জন।