রাহুল এবং প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’য় হেঁটেছেন। এই ‘অপরাধ’-এ চাকরি থেকে নিলম্বিত (সাসপেন্ড) মধ্যপ্রদেশের এক সরকারি স্কুল শিক্ষকের। কংগ্রেসের অভিযোগ, মধ্যপ্রদেশের বিজেপি সরকার আসলে ভয় পেয়ে গিয়েছে। তা-ই এই সব পদক্ষেপ করেছে।
নিলম্বিত ওই শিক্ষকের নাম রাজেশ কান্নাউজে। কুনজারির প্রাথমিক স্কুলে পড়ান তিনি। রাজেশকে সাসপেন্ড করে আদিবাসী দফতরের সহকারী কমিশনার নীলেশ রঘুবংশি জানিয়েছেন, একটি রাজনৈতিক দলের অধীনে ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’-য় যোগ দিয়েছেন রাজেশ কান্নাউজে। আর এই পদযাত্রায় যোগ দিয়ে মধ্যপ্রদেশের সরকারি কর্মীদের জন্য জারি আচরণবিধি ভেঙেছেন।
আরও পড়ুন:
২৪ নভেম্বর মধ্যপ্রদেশের ধার জেলার মরগাঁওয়ে পদযাত্রা করেছিলেন রাহুল এবং প্রিয়ঙ্কা। তখন তাঁদের সঙ্গে হেঁটেছিলেন রাজেশ। জানিয়েছেন, রাহুলের পদযাত্রায় আদিবাসী মুক্তি সংগঠন নেতা গজানন্দ ব্রহ্মণের সঙ্গে আদিবাসীদের সমস্যা তুলে ধরার চেষ্টা করছিলেন। তাঁর কথায়, ‘‘জল-জঙ্গল-জমি এবং আদিবাসীদের অধিকার হুমকির মুখে। রাহুল যখন জিজ্ঞেস করেন, তখনও এই সমস্যাই তুলে ধরি। তাঁকে তির এবং ধনুকও উপহার দিয়েছি আমরা।’’
কংগ্রেস নেতা, তথা রাজ্যের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বালা বচ্চন জানিয়েছেন, মধ্যপ্রদেশের শিবরাজ সিংহ চৌহান সরকার আসলে ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ নিয়ে ভয় পেয়ে গিয়েছে। তাঁর কথায়, ‘‘অনেক সরকারি কর্মী, আধিকারিকরা বিজেপি কর্মসূচিতে যোগ দেন। অথচ তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হয় না।’’ প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার বারওয়ানিতে রাজ্য সরকার আয়োজিত পিইএসএ (প্রভিসন অব দ্য পঞ্চায়েত এক্সটেনশন টু দ্য সিডুলড এরিয়াজ়) কনফারেন্স ছিল। সেখানেও যোগ দেন রাজেশ এবং গজানন্দ।