Advertisement
E-Paper

আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশের বাইরে পা রাখব না, তদন্তেও সহযোগিতা করব! সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা অনিল অম্বানীর

৪০ হাজার কোটিরও বেশি টাকার ঋণ প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে অনিল ধীরুভাই অম্বানী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। ওই ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে ইডি এবং সিবিআই। বেশ কয়েক বার জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে অনিলকে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:১৭
শিল্পপতি অনিল অম্বানী। ঋণ প্রতারণার মামলায় নাম জড়িয়েছে তাঁর মালিকানাধীন অনিল ধীরুভাই অম্বানী গোষ্ঠীর।

শিল্পপতি অনিল অম্বানী। ঋণ প্রতারণার মামলায় নাম জড়িয়েছে তাঁর মালিকানাধীন অনিল ধীরুভাই অম্বানী গোষ্ঠীর। —ফাইল চিত্র।

আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশের বাইরে যাবেন না শিল্পপতি অনিল অম্বানী। সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে এমনটাই জানালেন তিনি। দুই কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি এবং সিবিআইয়ের তদন্তেও সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবেন বলে হলফনামায় জানিয়েছেন তিনি।

অনিল ধীরুভাই অম্বানী গোষ্ঠীর অধীনস্ত সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে ঋণ প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। ৪০ হাজার কোটিরও বেশি টাকার ঋণ প্রতারণা হয়েছে বলে অভিযোগ। ওই ঘটনায় তদন্ত চালাচ্ছে ইডি এবং সিবিআই। তবে ওই তদন্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সচিব ইএএস শর্মা। আদালতের নজরদারিতে ওই তদন্ত চালানোর জন্য তিনি আবেদন জানান সুপ্রিম কোর্টে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চে মামলাটির শুনানি চলছে। সম্প্রতি ওই মামলায় অনিলের হয়ে আদালতে হলফনামা জমা দেন আইনজীবী মুকুল রোহাতগি।

আইনজীবী মারফত সুপ্রিম কোর্টে অনিল জানান, ২০২৫ সালের জুলাই মাসে (তদন্ত শুরু হওয়ার পর থেকে) তিনি ভারতের বাইরে যাননি। এখনও ভারতের বাইরে যাওয়ার কোনও পরিকল্পনা বা ইচ্ছা তাঁর নেই। একই সঙ্গে তিনি এ-ও জানান, কখনও বিদেশ ভ্রমণের প্রয়োজন হলে, ওই সফরের জন্য তিনি সুপ্রিম কোর্ট থেকে আগাম অনুমতি নেবেন। অনিল ধীরুভাই অম্বানী গোষ্ঠীর কর্ণধার আরও জানান, তিনি শুরু থেকেই তদন্তকারী সংস্থাগুলির সঙ্গে সহযোগিতা করে আসছেন। আগামী দিনেও পূর্ণ সহযোগিতা চালিয়ে যাবেন। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি ওই ঋণ প্রতারণার মামলার তদন্তে অনিলকে তলব করেছে ইডি। সুপ্রিম কোর্টে নিজেই সে কথা উল্লেখ করে শিল্পপতি জানান, তিনি ওই দিন ইডির দফতরে যাবেন এবং তদন্তে সহযোগিতা করবেন।

আর্থিক অনিয়মের এই অভিযোগের তদন্তে শ্লথ গতি নিয়েও সে দিন উষ্মা প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্ট। অনিল ধীরুভাই অম্বানী গোষ্ঠী নিয়ন্ত্রিত সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে সিবিআই ও এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-কে চার সপ্তাহের মধ্যে নতুন স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত।

এই মামলায় গত ১৮ নভেম্বর প্রথম বার কেন্দ্র, দুই তদন্তকারী সংস্থা, অনিল এবং তাঁর মালিকানাধীন গোষ্ঠীকে নোটিস পাঠিয়েছিল প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। মামলাকারীর অভিযোগ, ২০০৭-০৮ থেকে প্রতারণা হলেও এফআইআর করা হয়েছে ২০২৫ সালে। ইডি, সিবিআই কী তদন্ত করছে, সেটাও জানাতে সুপ্রিম কোর্ট যাতে নির্দেশ দেয়, সেই আর্জিও জানানো হয়েছিল।

Anil Ambani Supreme Court
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy