Advertisement
E-Paper

অজিতের বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ল কী ভাবে? হঠাৎ কেন বন্ধ হল সঙ্কেত? কাকা শরদ ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব খারিজ করলেও উঠল প্রশ্ন

বুধবার সকাল ৮টা ১০ মিনিট নাগাদ মুম্বই বিমানবন্দর থেকে রওনা দিয়েছিল মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা এনসিপি প্রধান অজিত পওয়ারের বিমান। লিয়ারজেট-৪৫ সংস্থার ব্যক্তিগত ওই বিমান ভেঙে অজিত-সহ পাঁচ যাত্রী ও চালকের মৃত্যু হয়।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ ২৩:০৯

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

বুধবার সকাল ৮টা ১০ মিনিট নাগাদ মুম্বই বিমানবন্দর থেকে রওনা দিয়েছিল মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের বিমান। লিয়ারজেট-৪৫ সংস্থার ছোট আকারের ব্যক্তিগত ওই বিমানে (প্রাইভেট জেট) আট থেকে ন’জনের বসার জায়গা রয়েছে। বিমানটি ভেঙে পড়ে ৮টা ৪৩ মিনিট নাগাদ, ওড়ার ঠিক ৩৩ মিনিট পর। দুর্ঘটনায় অজিত-সহ বিমানে থাকা পাঁচ জনেরই মৃত্যু হয়।

বিমানের গতিবিধিতে নজরদারি চালায় এমন কিছু সংস্থার তথ্য বলছে, ওড়ার ২৪ মিনিটের মাথায় অজিতের বিমানটি আচমকা সঙ্কেত পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছিল। মহারাষ্ট্রের আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে নিজের শহর বারামতীতে বুধবার রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল বর্ষীয়ান এনসিপি নেতা তথা শরদ পওয়ারের ভাইপো অজিতের। একাধিক রিপোর্টে দাবি, তাঁর বিমানটি ৮টা ৩৪ মিনিট থেকে নজরদারি সঙ্কেত পাঠানো বন্ধ করে দেয়। কয়েক মিনিটের মধ্যে অবশ্য ফের সঙ্কেত পাঠানো শুরু হয়েছিল ওই বিমান থেকে।

বিমানের যাত্রাপথ পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ‘ফ্লাইটরেডার ২৪’ জানিয়েছে, অজিতের বিমানটি প্রথম বারের চেষ্টায় বারামতীর রানওয়েতে নামতে পারেনি। এর পর এক বার চক্কর কেটে ফের অবতরণের চেষ্টা করেছিল। ৮টা ৪৩ মিনিট থেকে ওই বিমান পুরোপুরি নিশ্চুপ হয়ে যায়। আর কোনও সঙ্কেত সেখান থেকে আসেনি। এই সময়েই বিমানটি ভেঙে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, যেখান থেকে বিমানটি এডিএস-বি সঙ্কেট পাঠানো বন্ধ করেছিল, সেই জায়গাটি মূল অবতরণস্থল বারামতী বিমানবন্দর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে। বারামতী বিমানবন্দরের ম্যানেজার শিবাজি তাওয়াড়ে জানান, অবতরণের সময়ে রানওয়ের থেকে কিছুটা দূরে ভেঙে পড়ে লিয়ারজেট-৪৫। মাটিতে আছড়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায় তাতে।

নির্বাচনী প্রতীকই চিনিয়ে দিল দেহ

পুড়ে যাওয়া দেহগুলি কার, তা প্রথমে বোঝা যাচ্ছিল না। শেষমেশ হাতঘড়ি এবং পোশাক দেখে অজিতের দেহ শনাক্ত করা হয়। ঘটনাচক্রে, অজিতের দল এনসিপির নির্বাচনী প্রতীকও ঘড়ি। যার দখল নিয়ে কাকা শরদ পওয়ারের সঙ্গে তাঁর দ্বন্দ্ব গড়িয়েছিল নির্বাচন কমিশন এবং সুপ্রিম কোর্টে।

২০২৩ সালের ২ জুলাই এনসিপিতে বিদ্রোহ ঘটিয়ে শরদের অমতেই বিজেপির হাত ধরেন অজিত। মহারাষ্ট্রে একনাথ শিন্দের শিবসেনা এবং বিজেপির জোট সরকারের শরিক হয়ে উপমুখ্যমন্ত্রী হন। অজিতের বিদ্রোহের পরেই এনসিপির অন্দরের সমীকরণ বদলে গিয়েছিল। অজিত-সহ ন’জন বিদ্রোহী এনসিপি বিধায়কের মন্ত্রিত্ব এবং ভাল দফতর লাভের পরে পরিষদীয় দলের অন্দরে ক্রমশ তাঁর শিবিরের পাল্লা ভারী হতে থাকে। সাংসদদের একাংশও তাঁর দিকে যান।

শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে এনসিপির নিয়ন্ত্রণ যায় অজিতের হাতেই। দলের নাম নির্বাচনী প্রতীক ঘড়ির তাঁর গোষ্ঠীর জন্যই বরাদ্দ করা হয়। শরদের নেতৃত্বাধীন এনসিপি পরিচিত হয় এনসিপি (শরদচন্দ্র পওয়ার) নামে। নির্বাচনী প্রতীক হয় ‘তুতারি’ (পশ্চিমি বাদ্যযন্ত্র ট্রাম্পেটের মরাঠি সংস্করণ)। নাম ও প্রতীক হারিয়েও ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে বাজিমাত করেছিলেন শরদ। জিতেছিলেন আটটি আসনে। অন্য দিকে, চারটিতে লড়ে অজিতের দল জিতেছিল মাত্র একটি আসনে। বারামতী কেন্দ্রে অজিতের স্ত্রী সুনেত্রা পওয়ার হেরে যান শরদ-কন্যা সুপ্রিয়ার কাছে।

এর পর সঙ্ঘ পরিবার এবং বিজেপির অন্দরে অজিতকে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। কিন্তু লোকসভা ভোটের ছ’মাসের মাথাতেই মরাঠা রাজনীতিতে চমকপ্রদ প্রত্যাবর্তন ঘটে অজিতের। তাঁর নেতৃত্বাধীন এনসিপি ৫৯টিতে লড়ে জেতে ৪১টিতে। অন্য দিকে, ৮৬টি বিধানসভা আসনে প্রার্থী দিয়ে এনসিপি (শরদ)-র ঝুলিতে ছিল মাত্র ১০! কিন্তু মন্ত্রিত্ব বণ্টন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীসের সরকারের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় অজিতের। এই পরিস্থিতিতে গত কয়েক মাস ধরে নতুন করে শরদ-অজিত ঐক্য ঘিরে আলোচনা শুরু হয়েছিল। সদ্যসমাপ্ত পুণে এবং পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় পুরভোটে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীসের মন্ত্রিসভায় থেকেও বিজেপিকে ঠেকাতে কাকার দলের সঙ্গে সমঝোতা করেছিলেন অজিত। আসন্ন জেলা পরিষদ ভোটেও কাকা-ভাইপোর একজোট হয়ে লড়াই পওয়ার পরিবারের পুনর্মিলনের জল্পনা জোরালো করেছিল।

দুর্ঘটনার কারণ ঘিরে ধোঁয়াশা

প্রাথমিক ভাবে অজিতের বিমানের উড়ানে কোনও গোলমাল শনাক্ত করা যায়নি। পরিসংখ্যান বলছে, ওড়ার ১০ মিনিটের মাথায় অজিতের বিমান সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ছ’কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছিল। তখন তার গতি ছিল ১০৩৬ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। এই গতিবেগেই উড়েছে বিমান। ভেঙে পড়ার ঠিক আগের মুহূর্তে বিমানটির উচ্চতা কমে এসেছিল ১০১৬ মিটারে। গতিবেগ ছিল ২৩৭ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক জানিয়েছে, ভেঙে পড়ার আগের মুহূর্তে এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের (এটিসি) সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন পাইলট। জানিয়েছিলেন, রানওয়ে তিনি দেখতেই পাচ্ছেন না। তার পর বিমানটিকে এক বার চক্কর খাইয়ে ফের অবতরণের চেষ্টা করেন। এই সময় পাইলট জানিয়েছিলেন তিনি রানওয়ে দেখতে পাচ্ছেন। কিন্তু তার পরেই বিমানটি ভেঙে পড়ে।

অজিতের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল। বিমান দুর্ঘটনার সঠিক তদন্তের দাবি তুলেছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে অজিতের স্ত্রী সুনেত্রা-সহ গোটা পওয়ার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। অজিতের উত্থান এবং রাজনৈতিক দক্ষতার কথা স্মরণ করে একটি এক্স পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, সমাজের তৃণমূল স্তরের সঙ্গে অজিতের দৃঢ় যোগাযোগ ছিল। মহারাষ্ট্রের জনগণের সেবায় সর্বদা অগ্রণী ভূমিকা নিতেন তিনি। পরিশ্রমী এবং সর্বজন সম্মানিত অজিতের মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক।

মোদীর কথায়, ‘‘প্রশাসনিক বিষয়ে তাঁর (অজিত) বোধগম্যতা ছিল উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি, গরিব এবং নিপীড়িতদের ক্ষমতায়নের প্রতি তাঁর আবেগও ছিল চোখে পড়ার মতো।’’ দুর্ঘটনায় নিহত অন্যদের পরিবারের প্রতিও সমবেদনা জানান প্রধানমন্ত্রী। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়ঙ্কা গান্ধী-সহ বিভিন্ন দলের নেতা-নেত্রীরা অজিতের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন। অজিতের মৃত্যুতে তিনি বিধ্বস্ত, এমনই জানিয়েছেন শরদ পওয়ারের কন্যা সুপ্রিয়া সুলে।

মমতার দাবিতে শরদের ‘না’

বিমান ভেঙে তাঁর ভাইপো অজিত পওয়ার মৃত্যু নিছকই দুর্ঘটনা। বুধবার রাতে প্রথম প্রতিক্রিয়ায় এ কথা জানিয়েছেন এনসিপির প্রতিষ্ঠাতা শরদ পওয়ার। এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তদন্তের দাবির কার্যত বিরোধিতা করে শরদ বলেন, ‘‘কলকাতা থেকে একটি প্রতিক্রিয়ায় দাবি করা হয়েছে যে এই ঘটনায় কিছু রাজনীতি জড়িত। কিন্তু এ রকম কিছুই নেই। এতে কোনও রাজনীতি নেই। এটি একটি দুর্ঘটনা। আমি এতে রাজনীতি না আনার অনুরোধ করছি।’’

ঘটনাচক্রে, মহারাষ্ট্রের পুরসভা ও পঞ্চায়েত ভোটে সহযোগী বিজেপি এবং শিন্দেসেনার সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়ে কাকা শরদের দল এনসিপি (এসপি)-র সঙ্গে সমঝোতা করেছিল অজিতের এনসিপি। ফলে বিমান দুর্ঘটনার বিষয়টি রাজনৈতিক মাত্রা পেয়েছে ইতিমধ্যেই। মমতার পাশাপাশি কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গেও ঘটনার তদন্তের দাবি তুলেছেন বুধবার।

অজিতের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসার পর পরই নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে শোকপ্রকাশ করেন মমতা। তিনি জানান, অজিতের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর ভাবে মর্মাহত। শেষে তিনি লেখেন, ‘‘বিমান দুর্ঘটনার সঠিক তদন্ত হওয়া উচিত।’’ একই সঙ্গে পওয়ার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি। মমতা বলেন, ‘‘এ দেশে কোনও মানুষের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা নেই। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও বাদ নেই।’’ অজিতের ‘ঘর-বদলের’ সম্ভাবনা নিয়ে তৈরি হওয়া জল্পনা নিয়ে মতপ্রকাশ করেন মমতা। তাঁর দাবি, ‘‘আমি শুনেছিলাম কোনও এক দলের নেতা দাবি করেছিলেন অজিত বিজেপির সঙ্গে ছাড়তে চলেছেন। তার পরে আজ এই ঘটনা ঘটল। আমি চাই, সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে গোটা ঘটনার তদন্ত হোক।’’ কিন্তু ভাইপোর মৃত্যুকে ‘মহারাষ্ট্রের জন্য একটি বড় ধাক্কা’ বলে চিহ্নিত করে শরদ বলেন, ‘‘আমরা একজন পরিশ্রমী এবং দক্ষ নেতাকে হারিয়েছি। এই ক্ষতি অপূরণীয়। সবকিছু আমাদের হাতে নেই।’’ যদিও ‘বিদ্রোহী’ ভাইপোর মৃত্যুকে নিছকই বিমান দুর্ঘটনা বলে চিহ্নিত করেছেন কাকা শরদ।

কী সাফাই বিমান সংস্থার?

ভিএসআর অ্যাভিয়েশন সংস্থার বম্বার্ডিয়ার লিয়ারজেট-৪৫ বিমানে চড়ে মুম্বই থেকে বারামতী যাচ্ছিলেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ার। অবতরণের সময় বিমানটি ভেঙে পড়ায় অজিত-সহ বিমানে থাকা পাঁচ জনেরই মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে গত আড়াই বছরে ভিএসআর অ্যাভিয়েশনের বিমান দু’বার দুর্ঘটনার কবলে পড়ল। বিষয়টি নিয়ে বুধবার রাতে নিয়ে মুখ খুলেছেন সংস্থার মালিক ভিকে সিংহ।

ভিকের সাফাই, তাঁর সংস্থার অধীনে এখন সাতটি বিমান রয়েছে। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও বিমানই বাতিল করা হবে না। কারণ, সব ক’টি বিমান উড়ানের উপযুক্ত, কোথাও কোনও গলদ নেই। অজিতের বিমানটিতেও কোনও প্রযুক্তিগত গলদ ছিল না বলেই দাবি করেছেন ভিকে। মানতে চাননি পাইলটের ভুলের তত্ত্বও। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মুম্বই বিমানবন্দরে অবতরণের সময় ভেঙে পড়েছিল ভিএসআর অ্যাভিয়েশনের একটি ব্যক্তিগত বিমান। সে সময়ও ত্রুটির কথা মানতে চায়নি ভিএসআর অ্যাভিয়েশন। বুধবার ভিকে বলেন, ‘‘আমাদের বিমানে কোনও প্রযুক্তিগত ত্রুটি ছিল না। খুব ভাল ভাবে বিমানের রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। কেন আমরা বাকি বিমানগুলিকে বসিয়ে দিতে যাব? সব ক’টিই ফিট। এমন কোনও সিদ্ধান্ত আমরা নিইনি।’’

মার্কিন প্রযুক্তিবিদ বিল লিয়ারের নামে লিয়ারজেটের নামকরণ করা হয়েছে। এই বিমানগুলি সুইৎজ়ারল্যান্ডের যুদ্ধবিমানের আদলে তৈরি। সর্বোচ্চ আট থেকে ন’জনের বসার জায়গা রয়েছে। বর্তমানে দিল্লির সংস্থা ভিএসআর অ্যাভিয়েশন এই ধরনের বিমান পরিষেবা দেয়। অজিতের বিমানটিতে পাইলট ছিলেন ক্যাপ্টেন সুমিত কপূর। ফার্স্ট অফিসার হিসাবে ছিলেন শাম্ভবী পাঠক। ভিকে জানিয়েছেন, দু’জনেই অভিজ্ঞ পাইলট। এই ধরনের ব্যক্তিগত বিমান চালানোর ক্ষেত্রে তাঁরা পারদর্শী ছিলেন। ক্যাপ্টেন সুমিত ১৬ হাজার ঘণ্টার বেশি বিমান চালিয়েছেন। শাম্ভবীর অভিজ্ঞতা ১৫০০ ঘণ্টার কাছাকাছি। দুর্ঘটনার জন্য দৃশ্যমানতার অভাবকেই দায়ী করেছেন সংস্থার মালিক।

Ajit Pawar
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy