Advertisement
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
Crime News

স্ত্রীকে খুন, লাশের পাশেই কাটল রাত, পরের দিন অফিস থেকে ফিরে আত্মসমর্পণ

স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে খুন করার পর যুবক তাঁর সন্তানদের আত্মীয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। তার পর রাতে ওই মৃতদেহের পাশেই ঘুমিয়ে পড়েন। পরের দিন সকালে যথাসময়ে ঘুম থেকে উঠে কর্মস্থলে যান।

Man allegedly kills wife and goes to work surrenders after returning home in Maharashtra.

স্ত্রীকে খুন করে পরের দিন আত্মসমর্পণ যুবকের। প্রতীকী ছবি।

সংবাদ সংস্থা
মুম্বই শেষ আপডেট: ১৪ মার্চ ২০২৩ ০৯:০৩
Share: Save:

আগের দিন রাতে স্ত্রীকে খুন করে দিব্যি পরের দিন অফিস গেলেন যুবক। বিছানাতেই পড়ে রইল স্ত্রীর মৃতদেহ। এক দিন দেহ রেখে দেওয়ার পর, পরের সন্ধ্যায় পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন তিনি। অভিযোগ, স্ত্রীর চরিত্র নিয়ে সন্দেহ হয়েছিল যুবকের। তার জেরেই রাগের মাথায় স্ত্রীকে গলা টিপে খুন করেন।

ঘটনাটি মহারাষ্ট্রের পালঘর জেলার। মৃতের নাম অনিতা বিশ্বকর্মা (২৫)। তাঁর স্বামী প্রভুনাথ বিশ্বকর্মা নিজেই পুলিশের কাছে গিয়ে খুনের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার বিকেলে যখন ঘুমোচ্ছিলেন, তখন তাঁকে খুন করা হয়। বিকেল ৩টে নাগাদ ঘুমন্ত স্ত্রীর মুখে তোয়ালে চেপে ধরেন প্রভুনাথ।

স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে খুন করার পর প্রভুনাথ সন্তানদের আত্মীয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। তার পর রাতে ওই মৃতদেহের পাশেই ঘুমিয়ে পড়েন। পরের দিন সকালে যথাসময়ে ঘুম থেকে উঠে কর্মস্থলে যান।

সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে মৃতদেহের পাশে বসেই থানায় ফোন করেন প্রভুনাথ। পুলিশকে নিজের কীর্তির কথা জানান। ঘটনাস্থলে পুলিশ এলে মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রভুনাথকেও গ্রেফতার করে পুলিশ। মৃতদেহটি পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রভুনাথকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা গিয়েছে, তিনি সন্দেহের বশেই স্ত্রীকে খুন করেছেন। স্ত্রীর চরিত্র সম্পর্কে সন্দিহান হয়ে উঠেছিলেন তিনি। মনে করেছিলেন, স্ত্রী বিবাহবহির্ভূত কোনও সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। তবে এটিই খুনের প্রকৃত কারণ, না কি নেপথ্যে অন্য কোনও আক্রোশ লুকিয়ে আছে? তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রভুনাথকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে আরও তথ্য সংগ্রহ করছে পুলিশ।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement

Share this article

CLOSE