Advertisement
E-Paper

কর্মী নেই! ডিজিসিএ-র চোখরাঙানি সত্ত্বেও বৃহস্পতিবার ফের বহু উড়ান বাতিল ইন্ডিগোর, নাজেহাল যাত্রীরা

কেন একের পর এক বিমান বাতিল হচ্ছে, তা জানতে বুধবার ইন্ডিগোর কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছিল ভারতের বিমান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ। কিন্তু বৃহস্পতিবারও সেই চিত্রের হেরফের হয়নি। বরং সকাল থেকে দিল্লি বিমানবন্দরে ইন্ডিগোর অন্তত ৩০টি উড়ান বাতিল হয়ে গিয়েছে বলে খবর।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ১২:০৭
বৃহস্পতিবারও বাতিল বহু বিমান। দিল্লি বিমানবন্দরে অপেক্ষায় যাত্রীরা।

বৃহস্পতিবারও বাতিল বহু বিমান। দিল্লি বিমানবন্দরে অপেক্ষায় যাত্রীরা। ছবি: রয়টার্স।

গত দিন কয়েক ধরে একের পর এক উড়ান বাতিল করছে বিমানসংস্থা ইন্ডিগো। কখনও আবার বদলাতে হচ্ছে উড়ানের সময়সূচি। বৃহস্পতিবারও তার অন্যথা হল না। দিনের শুরুতেই বাতিল হয়ে গেল অন্তত ৬৫টি বিমান।

কেন এই চরম অব্যবস্থা চলছে— তা জানতে বুধবারই সংস্থার কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছিল ভারতের বিমান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ। কিন্তু বৃহস্পতিবারও সেই চিত্রের হেরফের হয়নি। বরং সকাল থেকে দিল্লি বিমানবন্দরে ইন্ডিগোর অন্তত ৩০টি উড়ান বাতিল হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদসংস্থা পিটিআই। হায়দরাবাদ বিমানবন্দরেও বাতিল হয়েছে অন্তত ৩৩টি উড়ান।

বিভিন্ন সূত্রের দাবি, বৃহস্পতিবার সব মিলিয়ে ১৭০টিরও বেশি উড়ান বাতিল করতে পারে ইন্ডিগো। এই পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান করতে বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট বিমানসংস্থার কর্তাদের নিয়ে একটি বৈঠক ডেকেছে ডিজিসিএ। কী ভাবে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হল, তা জানতে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতির সমস্ত সম্ভাব্য কারণ এবং উড়ান বাতিল কমাতে কী কী পরিকল্পনা করা হচ্ছে, তা লিখিত আকারে জমা দিতে বলা হয়েছে ইন্ডিগোকে।

বুধবার এক দিনে ইন্ডিগোর ২০০-রও বেশি উড়ান বাতিল হয়েছে। যার জেরে দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরুর মতো দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে যাত্রীদের। শুধু তা-ই নয়, জানা গিয়েছে, গোটা নভেম্বর মাস জুড়ে মোট ১,২৩২টি উড়ান বাতিল করেছে ইন্ডিগো।

অনভিপ্রেত এই ঘটনার জন্য বুধবার বিবৃতি দিয়ে যাত্রীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছে ইন্ডিগো। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘আমরা স্বীকার করছি যে গত দু’দিন ধরে ইন্ডিগোর কার্যক্রম উল্লেখযোগ্য ভাবে ব্যাহত হয়েছে। আমরা আমাদের গ্রাহকদের কাছে এই অসুবিধার জন্য আন্তরিক ভাবে ক্ষমা চাইছি। প্রযুক্তিগত ত্রুটি, শীতকালীন সময়সূচি পরিবর্তন, প্রতিকূল আবহাওয়া, বিমান ব্যবস্থায় ক্রমবর্ধমান যানজট এবং বিমানকর্মীদের কাজের সংশোধিত সময়সূচি— এমন নানা অপ্রত্যাশিত কারণে আমাদের পরিষেবার উপর এমন নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।’’ উল্লেখ্য, গত মাসে সংশোধিত বিমানকর্মীদের কাজের সময়সূচি বা ফ্লাইট ডিউটি টাইম লিমিটেশন (এফডিটিএল) অনুযায়ী, একজন বিমানকর্মীর দিনে আট ঘণ্টা, সপ্তাহে ৩৫ ঘণ্টা, মাসে ১২৫ ঘণ্টা এবং বছরে সর্বোচ্চ ১,০০০ ঘণ্টা কাজ করার কথা। তবে ইন্ডিগো সূত্রে খবর, এই নিয়ম চালু হওয়ার পর থেকেই সংস্থার কর্মীসংখ্যায় টান পড়ছে। তার উপর যাত্রীদের ভিড় বেড়ে গেলে সেই বাড়তি চাপও নিতে হচ্ছে কর্তব্যরত কর্মীদের। সে কারণেই, পাইলট এবং পর্যাপ্ত সংখ্যক কেবিন ক্রু না থাকায় অনেক উড়ান বাতিল করতে হচ্ছে। কখনও আবার বদলাতে হচ্ছে উড়ানের সময়সূচি।

IndiGo Indigo Flight Directorate General of Civil Aviation (DGCA) dgca Delhi Airport
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy