Advertisement
E-Paper

নিহত খামেনেইয়ের শোকসভায় মোদী সরকারের প্রতিনিধি! দিল্লিতে ইরানের দূতাবাসে গিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ শুরু হওয়ায় পর থেকেই ভারত বার বার ‘কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ’ খোঁজার উপর জোর দিয়েছে। সম্প্রতি আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর নিজেদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে মোদীর সরকার।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ এপ্রিল ২০২৬ ২৩:৫২
(বাঁ দিকে) আয়াতোল্লা আলি খামেনেই এবং নরেন্দ্র মোদী (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) আয়াতোল্লা আলি খামেনেই এবং নরেন্দ্র মোদী (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

ইরানের নিহত নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের শোকসভায় গেলেন নয়াদিল্লির প্রতিনিধি। রবিবার কেন্দ্র জানিয়েছে, বিদেশ প্রতিমন্ত্রী পবিত্র মার্গারেটা দিল্লিতে ইরানের দূতাবাসে সেই শোকসভায় উপস্থিত ছিলেন। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেছেন তিনি।

আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ সামরিক হানায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনেই। পরের দিন তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে ইরান। ওই সময়েই ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোকের কথাও ঘোষণা করা হয়। রবিবার বিদেশ মন্ত্রক জানায়, ইরানের ‘চেহলাম’ (শোক পালনের ৪০তম দিনে) দিল্লিতে ইরানের দূতাবাসে যান পবিত্র। ইরানি দূতাবাসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বেশ কিছু ছবিও পোস্ট করা হয় সমাজমাধ্যমে। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল ওই ছবিগুলি পোস্ট করে লেখেন, “ভারত এবং ইরানের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। এই সম্পর্ক দু’দেশের সভ্যতা, সংস্কৃতি এবং দু’দেশের সাধারণ মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের উপরে প্রতিষ্ঠিত।”

পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে নয়াদিল্লির এই বার্তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। বস্তুত, আমেরিকা, ইজ়রায়েল এবং ইরান— সংঘর্ষে জড়িত তিন দেশের সঙ্গেই ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। এ অবস্থায় পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ শুরু হওয়ায় পর থেকেই ভারত বার বার ‘কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ’ খোঁজার উপর জোর দিয়েছে। পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি ফেরানো এবং হরমুজ় প্রণালী খোলার ব্যাপারে সওয়াল করেছে নয়াদিল্লি। সম্প্রতি আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর নিজেদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে মোদীর সরকার।

Advertisement

বিদেশ মন্ত্রক ওই সময়ে বলে, ‘‘আমরা ক্রমাগত বলে এসেছি চলমান সংঘাত দ্রুত অবসানের জন্য কূটনীতি এবং আলোচনা অপরিহার্য। এই সংঘাতের কারণে ইতিমধ্যেই মানুষকে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ এবং বাণিজ্য ব্যাহত হয়েছে। আমরা আশা করি হরমুজ় প্রণালীতে নৌচলাচলের অবাধ স্বাধীনতা এবং বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যের প্রবাহ বজায় থাকবে।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy