শরদ পওয়ারের দল এনসিপিতে আবার পদত্যাগ। বুধবার দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দলের বিধায়ক এবং পওয়ার-ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত জিতেন্দ্র অওয়াড়। জিতেন্দ্রর সঙ্গেই দলীয় পদ থেকে ইস্তফা দেন একাধিক নেতা-কর্মী।
নিজের ইস্তফা প্রসঙ্গে জিতেন্দ্র সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেন, “আমি দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছি। আমি আমার ইস্তফাপত্র এনসিপি প্রধান শরদ পওয়ারের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি। পওয়ার সাহেবের ঘোষণার পর থানে এলাকার এনসিপির সমস্ত কর্মী দলীয় পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন।” তবে এনসিপি সূত্রের খবর, এই গণইস্তফার মধ্যে ইস্তফা দেননি মহারাষ্ট্রের রাজ্য সভাপতি জয়ন্ত পাতিল।
আরও পড়ুন:
মঙ্গলবার নিজের আত্মজীবনী ‘লোক মাজে সঙ্গতি’র দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশের অনুষ্ঠানে পওয়ার বলেন, ‘‘আমি এনসিপি প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’’ এই কথা শোনামাত্র সভাগৃহে হইচই পড়ে যায়। যদিও তাকে খুব একটা গুরুত্ব দিতে দেখা যায়নি মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। মহারাষ্ট্রের রাজনীতির অন্যতম চরিত্র পওয়ার জানান, তিনি আর নির্বাচনে লড়বেন না। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বহু যুদ্ধের পোড়খাওয়া নেতা পওয়ার এ-ও জানান যে, এনসিপি প্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেও রাজনীতিকে এখনই আলবিদা বলার কোনও ইচ্ছে তাঁর নেই। নেতা-কর্মীদের ‘যেতে নাহি দিব’ আর্জিতে অবশ্য সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার কথা জানিয়েছেন পওয়ার। তার পরেও পওয়ারের মুম্বইয়ের বাড়ি ‘সিলভার ওক’-এর সামনে অনুগামীদের ভিড় জমতে শুরু করেছে। আনাগোনা শুরু হয়েছে দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাদের। ‘মরাঠা স্ট্রংম্যান’ হঠাৎ কী কারণে এমন সিদ্ধান্ত নিলেন, তাই নিয়ে নানা প্রশ্ন, জল্পনা শোনা যাচ্ছে।