Advertisement
E-Paper

ভুয়ো পরিচয়ে বিস্ফোরক আনা হয়েছিল মুম্বই থেকে, কেনা হয় অনলাইনেও! দিল্লি বিস্ফোরণে এনআইএ-র হাতে নয়া তথ্য

তদন্তকারী সূত্রে খবর, মুম্বই থেকে সেই বিস্ফোরকের মশলা এসে পৌঁছেছিল হরিয়ানার আল ফালহা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে। অভিযুক্ত উমর ওই ঠিকানায় বিস্ফোরকের মশলা পাঠাতে বলেছিলেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ মে ২০২৬ ১১:৫১
দিল্লির লালকেল্লা মেট্রোর সামনে বিস্ফোরণ ২০২৫ সালের ১০ নভম্বর। ফাইল চিত্র।

দিল্লির লালকেল্লা মেট্রোর সামনে বিস্ফোরণ ২০২৫ সালের ১০ নভম্বর। ফাইল চিত্র।

ভুয়ো পরিচয় দিয়ে কী ভাবে বিস্ফোরক আনিয়েছিলেন দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে অভিযুক্ত চিকিসক উমন উন নবি, সেই তথ্য হাতে এল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার (এনআইএ)। সূত্রের খবর, অনলাইন এবং অফলাইন দু’ভাবেই বিস্ফোরক কেনা হয়েছিল। নিজেকে রাহুল ভাট নামে মুম্বইয়ের এক ব্যবসায়ীর কাছে পরিচয় দিয়েছিলেন অভিযুক্ত উমর। তাঁর কাছ থেকে ২০২৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মিক্সড মেটাল অক্সাইড (এমএমও) কিনেছিলেন তিনি। এটি বিস্ফোরক তৈরির এক ধরনের মশলা।

তদন্তকারী সূত্রে খবর, মুম্বই থেকে সেই বিস্ফোরকের মশলা এসে পৌঁছেছিল হরিয়ানার আল ফালহা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে। অভিযুক্ত উমর ওই ঠিকানায় বিস্ফোরকের মশলা পাঠাতে বলেছিলেন। সেই বিস্ফোরক আল ফালহার সামনে থেকে নিজে সংগ্রহ করেন উমর। আল ফালহার কাছেই একটি বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলেন তিনি। সেখানে একটি ছোট গবেষণাগারও বানিয়ে ফেলেছিলেন উমর। মুম্বই থেকে বিস্ফোরক আনানোর পাশাপাশি অনলাইনেও সেই ভুয়ো পরিচয়ে বিভিন্ন রাসায়নিক কেনেন। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, মুম্বইয়ের ব্যবসায়ীর সঙ্গে উমর নিজেই যোগাযোগ করেছিলেন। তাঁকে ২৫ হাজার টাকা অনলাইনে মেটান। এই দু’টি জায়গা ছাড়াও ব্যক্তিগত ভাবে আরও দশ ধরনের বিস্ফোরকের মশলার জন্য আলোচনা চালাচ্ছিলেন উমর। কিন্তু টাকার লেনদেন হওয়ার আগেই ‘ডক্টরস মডিউল’-এর হদিস পান গোয়েন্দারা। ফলে সেই লেনদেন আটকে গিয়েছিল।

তদন্তকারী সূত্রে খবর, অভিযুক্ত চিকিৎসক উমর তাঁর এক সঙ্গী চিকিৎসক মুজ়াম্মিল শাকিলকে নিয়ে গত বছরের অগস্টে গুজরাতের অহমদাবাদে যান। সেখান থেকেও রাসায়নিক সংগ্রহ করেন। তার পরদিনই আবার হরিয়ানায় ফিরে আসেন। তার পর উমর আল ফালহার কাছে ভাড়াবাড়িতে বিস্ফোরক নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। সেগুলি পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করেন। তার পর সেই বিস্ফোরক মজুত করেছিলেন উমর। লালকেল্লা মেট্রোর সামনে যে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ হয়, সেখানে ওই বিস্ফোরকই ব্যবহার করা হয়েছিল কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত ১৪ মে এই বিস্ফোরণকাণ্ডে ৭৫০০ পাতার একটি চার্জশিট তৈরি করেছে দিল্লি পুলিশ। সেখানে ১০ জনকে অভিযুক্তের নাম উল্লেখ করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রের খবর।

NIA
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy