সম্পর্ক ভেঙে দিয়েছিলেন প্রেমিকা। ব্লক করে দিয়েছিলেন ফোন নম্বরও। ‘বদলা’ নিতে প্রেমিকাকে অপহরণ করে খুনের চেষ্টা করেন ওই যুবক। পুলিশের কাছে তরুণী দাবি করেছেন, তাঁকে গাড়িতে জোর করে তুলে নেন প্রেমিক। তার পর গাড়িতে বসেই হুমকি দেওয়া শুরু করেন, ‘‘মরলে, তোমাকে সঙ্গে নিয়েই মরব।’’ তার পরই তরুণীর উপর ছুরি নিয়ে হামলা চালান বলে অভিযোগ। কর্নাটকে গাড়ি বিস্ফোরণে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় নয়া তথ্য উঠে এসেছে।
প্রসঙ্গত, শনিবার রাজ্যের টুমাকুরু জেলার জোগীহল্লি এলাকায় ৪৮ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর গাড়ি বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে নগেন্দ্র নামে এক যুবকের। তিনি বেঙ্গালুরুর অঙ্কোলার বাসিন্দা বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। তদন্তকারী সূত্রের খবর, নগেন্দ্রর সঙ্গে এক তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে সেই সম্পর্কে টানাপড়েন চলছিল। তরুণী বেঙ্গালুরুর একটি হাসপাতালে ওটি টেকনিশিয়ানের কাজ করেন। দু’জনের মধ্যে টানাপড়েনের জেরে নগেন্দ্রর সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দেন। তাঁর ফোন নম্বর ব্লক করে দিয়েছিলেন তরুণী।
পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার সকালে নগেন্দ্র তাঁর প্রেমিকার ভাড়াবাড়িতে পৌঁছোন। সেখানে দু’জনের মধ্যে বচসা হয়। তার পর তরুণীকে জোর করে একটি ট্যাক্সিতে তোলেন বলে অভিযোগ। তরুণীর বাবা-মা জয়নগর থানায় অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগ পাওয়ার পরই পুলিশ ওই তরুণীর খোঁজে নামে। পুলিশের দাবি, তরুণী জানিয়েছেন, গাড়িতে বসেই তাঁকে শাসাচ্ছিলেন নগেন্দ্র। প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন বলে অভিযোগ। জোগীহল্লির কাছে গাড়ি পৌঁছোতেই তরুণীর উপরে ছুরি নিয়ে হামলা চালান নগেন্দ্র। এই পরিস্থিতি দেখে গাড়ি থামিয়ে দেন চালক। তরুণী গাড়ির দরজা খুলে কোনও রকমে বেরিয়ে আসেন। তিনি বেরিয়ে আসতেই গাড়িতে জোরালো বিস্ফোরণ হয়। ঝলসে মৃত্যু হয় নগেন্দ্রর। কী ধরনের বিস্ফোরক সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন নগেন্দ্র, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।