নীতীশ কুমারের রাজ্যসভায় যাওয়া নিয়ে খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে কে বসবেন, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। অবশেষে সেই জল্পনার অবসান ঘটতে চলেছে আগামী ১৪ এপ্রিল। ওই দিন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেবেন নীতীশ। ১৪ এপ্রিলের পরই জানা যেতে পারে বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম। জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ) থেকে কাউকে নীতীশের উত্তরসূরি হিসাবে বেছে নেওয়া হবে, না কি বিহারে বিজেপির কেউ মুখ্যমন্ত্রী হবেন— তা নিয়ে আলোচনা অব্যাহত। তবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিজেপির পাল্লা ভারী। তবে অন্য সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না অনেকে।
১৪ এপ্রিল দিনটা রাজনৈতিক ভাবে তো বটেই, অন্য দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ। ওই দিনই ভারতীয় সংবিধানের জনক বিআর অম্বেদকরের জন্মবার্ষিকী। অনেকের মতে, সেই দিক বিবেচনা করেই দিনটিকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
নীতীশ রাজনৈতিক জীবনের শুরু করেছিলেন বিহার বিধানসভার বিধায়ক হিসাবে। তার পরে লোকসভার সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্ব। পরবর্তী ধাপে দীর্ঘ দু’দশক ধরে বিহার বিধানসভায় থেকে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন শেষে শুক্রবার রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে শপথ নিয়েছেন নীতীশ। গত কয়েক বছর ধরেই শারীরিক ভাবে অসুস্থ নীতীশ। যে কারণে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার মাস ছয়েকের মধ্যে সেই দায়িত্ব থেকে সরে আসার ইচ্ছাপ্রকাশ করেন তিনি। জানান, তিনি রাজ্যসভায় যেতে চান। গত ৫ মার্চ নিজেই প্রথমে সমাজমাধ্যমে তাঁর আগামী রাজনৈতিক জীবনের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন বিহারের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী।