মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় উদ্যানে চিতার সংখ্যা বৃদ্ধি পেল। আর সেই সঙ্গে দেশেও বাড়ল এই প্রাণীর সংখ্যা। ৯ মার্চ চিতার সংখ্যা গণনা করা হয়। দেখা যায় সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৩। জাতীয় উদ্যান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, নামিবিয়ার চিতা জ্বালা পাঁচটি শাবকের জন্ম দিয়েছে। ফলে দেশে চিতার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।
চিতার সংখ্যা বৃদ্ধিতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মোহনকুমার যাদব। তিনি জানিয়েছেন, যে দিন নামিবিয়া থেকে কুনোতে এসেছে মেয়ে চিতা জ্বালা, এখানকার পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিয়েছে। শুধু তা-ই নয়, কুনোতে খুব দ্রুত নিজেকে মানিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছে। আর এটাই যথেষ্ট আশা জাগাচ্ছে চিতা প্রকল্পের। আগে জ্বালার নাম ছিল সিয়ায়া। নামবিয়া থেকে যে আটটি চিতা আনা হয়েছিল ২০২২ সালে, তার মধ্যে জ্বালা অন্যতম। এই নিয়ে তৃতীয় বার এই স্ত্রী চিতাটি শাবকের জন্ম দিল।
আরও পড়ুন:
এর আগে ২০২৩ সালে চারটি শাবকের জন্ম দেয় জ্বালা। তার মধ্যে তিনটিরই মৃত্যু হয়। একটি বেঁচে গিয়েছিল। ২০২৪ সালে আরও তিনটি শাবকের জন্ম দেয় জ্বালা। বন দফতরের আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, মা চিতা এবং শাবকেরা এখন সকলেই সুস্থ এবং সবল রয়েছে। শাবকগুলির উপর নজরদারি চালাতে বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া সিসিটিভির মাধ্যমেও নজরদারি চালানো হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে নামিবিয়া থেকে পাঁচটি স্ত্রী এবং তিনটি পুরুষ চিতা আনা হয়েছিল কুনো জাতীয় উদ্যানে। স্বপ্নের চিতা প্রকল্পের উদ্বোধন করে মোদী বলেছিলেন, ‘ঐতিহাসিক দিন’। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আরও ১২টি চিতা আনা হয়েছিল কুনোয়। তার পর বেশ কয়েকটি চিতার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের এই প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল।