পাসপোর্ট-কাণ্ডে ডাকবিভাগের এক কর্মী-সহ দু’জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। পুলিশ জানায়, ধৃতদের নাম আব্দুল জলিল এবং প্রসেনজিৎ নমঃশূদ্র। ডাক বিভাগের কর্মীর কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে প্যানকার্ড। তাতে বাংলাদেশের নাগরিক নিজামউদ্দিন নাম রয়েছে। মিলেছে বিনোদিনী গ্রাম পঞ্চায়েতের সার্টিফিকেটও।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, করিমগঞ্জ জেলায় অবৈধ পাসপোর্ট চক্রের পাণ্ডা নিজাম ওরফে কালাম। সে সৌদি আরবে বসে করিমগঞ্জের কালীগঞ্জের সাজাহানের মাধ্যমে ওই চক্র চালাত বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছিল। এখন পুলিশ জেনেছে, কালাম বর্তমানে রয়েছে বাংলাদেশে। কালামের ভারতীয় পাসপোর্ট ৫ সেপ্টেম্বর ঘোলছড়া থেকে পাঠিয়েছিল ডাককর্মী আব্দুল জলিল। মাসুকুর রহমান, আফতারউদ্দিন, ইসলামউদ্দিনের পাসপোর্ট সে বিলালউদ্দিনকে দিয়েছিল।
পুলিশের বক্তব্য, করিমগঞ্জের জাল পাসপোর্ট চক্রটি গ্রামের লোকদের ভোটার তালিকা সংগ্রহ করত। তালিকা থেকে কয়েকটি নাম চিহ্নিত করা হতো। এমনই নাম বেছে নেওয়া হতো, যাঁর মৃত্যু হয়েছে, বা অন্য কোনও জায়গায় চলে গিয়েছে। একই নামে গ্রামে একাধিক বাসিন্দা থাকলেও, সে সব নামের বদলে বাংলাদেশি কারও নাম পরিবর্তন করে পাসপোর্ট তৈরি করত ওই চক্র। পুলিশ সূত্রে প্রকাশ, সব্বির আহমেদের নাম এমন ভাবেই বদলে করা হয় বসিরউদ্দিন। শাহিদ আহমেদ হন হারিছউদ্দিন, আব্দুল আহাদ বদলে যান ইজ্জাদুর রহমানে। ওই নামেই করিমগঞ্জ থেকে পঞ্চায়েত সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা হতো।