উপসর্গহীনদের কোনও ওষুধই দেওয়ার দরকার নেই। যাঁদের খুব হালকা উপসর্গ রয়েছে, তাঁদের শুধুমাত্র জ্বরের এবং কাশির ওষুধ দেওয়া যেতে পারে। কাশির সমস্যা থাকলে ৫ দিন ধরে দিনের দু’বার বুডেসোনাইড ইনহেলার ব্যবহার করা যেতে পারে। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের অধীনে থাকা ‘ডিরেক্টরেট জেনারেল অব হেল্থ সার্ভিসেস’(ডিজিএইচএস) কোভিড চিকিৎসার একটি সংশোধিত নির্দেশিকা প্রকাশ করে এ কথা জানিয়েছে।
নির্দেশিকায় করোনা চিকিৎসার ওষুধের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে আইভারমেকটিন। এ ছাড়াও বাদ পড়েছে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন, ফ্যাভিপিরাভি, ডক্সিসাইক্লিন, জিঙ্ক এবং মাল্টিভিটামিন। যদিও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক থেকে জারি করা নির্দেশিকায় যে ওষুধের তালিকা আছে, তাতে এখনও আইভারমেকটিন এবং হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনের নাম রয়েছে।
ডিজিএইচএস-র তরফে জানানো হয়েছে, নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যে সব কোভিড রোগী মাঝারি থেকে গুরুতর ভাবে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং যাঁদের অক্সিজেন দিতে হচ্ছে, তাঁদেরই শুধু রেমডেসিভির ওষুধ দেওয়া যেতে পারে। যাঁদের অবস্থা সঙ্কটজনক, শুধুমাত্র তাঁদেরই দেওয়া যাবে টসিলিজুমাব। সিটিস্ক্যান করারও দরকার নেই বলেই জানিয়েছে ডিজিএইচএস।