Advertisement
E-Paper

এক থেকে তিনে নেমে গেল আরজেডি, কংগ্রেসের হাল শোচনীয়, বিরোধী জোটে তুলনায় ভাল ফল লিবারেশনের

গণনা এখনও শেষ হয়নি। তবে প্রবণতা ইঙ্গিত দিচ্ছে, বিহারে রেকর্ড ভোটে জিতে ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। আরজেডি এবং বিজেপি একক ভাবেও অনেকটা এগিয়ে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৪ নভেম্বর ২০২৫ ১০:৩৮
বিহারের ভোটে শোচনীয় দশা তেজস্বী যাদব, রাহুল গান্ধীদের জোটের।

বিহারের ভোটে শোচনীয় দশা তেজস্বী যাদব, রাহুল গান্ধীদের জোটের। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

বিহারে গত বিধানসভা নির্বাচনে যে দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করেছিল, এ বার তার করুণ দশা। এক থেকে একেবারে তিন নম্বরে চলে যেতে চলেছে লালু প্রসাদ যাদব, তেজস্বী যাদবের রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি)। গণনা এখনও শেষ হয়নি। তবে প্রবণতা তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে। রেকর্ড ভোটে জিতে ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট, সৌজন্যে নীতীশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ)। তবে বিজেপি একক ভাবেও অনেকটা এগিয়ে রয়েছে বিহারে।

মহাগঠবন্ধনে অবশ্য আরজেডি-ই খানিকটা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। কংগ্রেস একেবারেই দাগ কাটতে পারেনি। এখনও পর্যন্ত তারা মাত্র ছ’টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। আরজেডি এগিয়ে ৩৪ থেকে ৩৫টি আসনে। তুলনায় লিবারেশন (সিপিআইএমএল) কিছুটা ভাল ফল করছে। তারা এগিয়ে সাতটি আসনে। মহাগঠবন্ধন জোটের সার্বিক সংগ্রহ মাত্র ৫১। সেখানে এনডিএ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জাদুসংখ্যা অনেক আগেই পেরিয়ে গিয়েছে। ২৪৩ আসনের বিহার বিধানসভায় একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন হয় ১২৩টি আসন। এখনও পর্যন্ত এনডিএ ১৯০টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।

লিবারেশন বাদ দিলে মহাগঠবন্ধনে বাম দলগুলির অবস্থাও বেশ করুণ। সিপিএম একটি আসনে এগিয়ে রয়েছে। কিন্তু সিপিআই শূন্য। ভিআইপি, আইআইপি খাতা খুলতে পারেনি। মিমও তিনটি আসনে এগিয়ে রয়েছে।

Advertisement

গত ৬ নভেম্বর এবং ১১ নভেম্বর বিহারে দু’দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছে। তিন দিনের মাথায় শুক্রবার গণনা হচ্ছে। এ বছর বিহারে নির্বাচনের ঠিক আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) হয়েছে। প্রায় ৩০ লক্ষ নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে। দুই পর্বেই ৬০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। প্রায় প্রতিটি বুথফেরত সমীক্ষায় নীতীশ-বিজেপির জোটকে এগিয়ে রাখা হয়েছিল। গণনায় তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।

সংক্ষেপে
  • ৬ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার বিহারে প্রথম দফার নির্বাচন। দ্বিতীয় দফার নির্বাচন হবে আগামী মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর)। ভোটগণনা এবং ফলপ্রকাশ হবে ১৪ নভেম্বর। বিহারবাসীর জন্য সব দলই ঢালাও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, এক কোটি চাকরি থেকে শুরু করে মহিলাদের অর্থসাহায্য— বাদ নেই কিছুই। বিরোধীরা তেজস্বী যাদবকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করেছে। নরেন্দ্র মোদী থেকে অমিত শাহ, বার বার বিহারে প্রচারে এসে জানিয়েছেন, নীতীশ কুমারের নেতৃত্বেই লড়বে এনডিএ। তবে ভোটে যদি এনডিএ জেতে তবে মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা জিইয়ে রেখেছে শাসকজোট।
  • রাজ্যের ২৪৩টি বিধানসভা কেন্দ্রে লড়াই মূলত এনডিএ এবং আরজেডি-কংগ্রেস-বামেদের জোট মহাগঠবন্ধনের মধ্যে। লড়াইয়ে আছে প্রাক্তন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর (পিকে)-এর জন সুরাজ পার্টিও। মোট ২৪৩টি আসনের মধ্যে ১০১টি আসনে লড়ছে বিজেপি আর নীতীশ কুমারের জেডিইউ ১০১টি আসনে লড়ছে। চিরাগ পাসওয়ানের লোক জনশক্তি পার্টি (রামবিলাস) লড়ছে ২৯টি আসনে। অন্য দিকে, বিহারের অনেক বিধানসভা কেন্দ্রেই মহাগঠবন্ধনের জোটসঙ্গীরা একে অপরের বিরুদ্ধে প্রার্থী দিয়েছে। শাসকজোট এ নিয়ে কটাক্ষ করলেও বিরোধীদের দাবি, ‘বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াই’।
Bihar Assembly Election 2025 RJD Lalu Prasad Yadav Congress JDU
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy