পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের হারের পরে ঘুরে দাঁড়াতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কংগ্রেসের সমর্থন নিয়ে বসিরহাট উপনির্বাচনে লোকসভায় জিতিয়ে আনার পরিকল্পনা চলছে। তারই মধ্যে বিরোধী জোটের অন্যতম শরিক উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা(ইউবিটি)-র সাংসদ সঞ্জয় রাউত বললেন, কংগ্রেস ভেঙে তৈরি হওয়া তৃণমূল কংগ্রেস বা এনসিপি-র আবার কংগ্রেসের ছাতার তলায় ফিরে যাওয়া উচিত। সোমবার দিল্লিতে বিরোধী মঞ্চ ‘ইন্ডিয়া’-র বৈঠকের আগে রাউতের মত, কংগ্রেস শক্তিশালী হলে তার পক্ষে বিরোধীদের পরিচালিত করা আরও সহজ হবে। বিজেপি এমনিতেই দেশের রাজনৈতিক মানচিত্র থেকে ছোট আঞ্চলিক দলগুলিকে মুছে ফেলতে চাইছে। তাঁর অভিযোগ, ‘‘জওহরলাল নেহরু, ইন্দিরা গান্ধীর সময়ও ছোট ছোট আঞ্চলিক দল ছিল। কিন্তু বিজেপি এক দেশ, এক দল, এক নির্বাচনে বিশ্বাস করে।’’
বিরোধীদের বৈঠকের আগে কংগ্রেসের সঙ্গে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার বিবাদ বেধেছে। ঝাড়খণ্ডের দু’টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচন। তার একটিতে কংগ্রেস প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে। যদিও সেই আসনে জিততে কংগ্রেসের হেমন্ত সরেনের দল জেএমএম ও অন্যান্য বিরোধী দলের সমর্থন জরুরি। দ্বিতীয় আসনে জেএমএম নিজেই জিততে পারে। আজ জেএমএম-এর বৈঠকে দলের নেতারা হেমন্তকে বলেছেন, তিনি দু’টি আসনেই প্রার্থী দিন। কারণ কংগ্রেস একতরফা একটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। হেমন্ত নিজের দলের একজনকে রাজ্যসভায় পাঠিয়ে অন্য আসনে একজন শিল্পপতিকে সমর্থনের আশ্বাস দিয়ে রেখেছেন বলে সূত্রের খবর।
সোমবার ‘ইন্ডিয়া’র বৈঠকে তামিলনাড়ুতে সদ্য ক্ষমতাচ্যুত ডিএমকে আসবে না বলে আগেই জানিয়েছে। কারণ, কংগ্রেস ডিএমকে-র সঙ্গ ছেড়ে টিভিকে-কে সমর্থন করেছে। জোটের মধ্যে ফাটলে বিজেপি উল্লসিত। রাউতের বক্তব্য, ডিএমকে নিজের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করুক। কেন টিভিকে দলকে সমর্থন করতে হয়েছে, রাহুল গান্ধী তা এম কে স্ট্যালিনকে জানিয়েছেন। তাঁরদাবি, ‘ইন্ডিয়া’ অটুট রয়েছে। বিরোধীদের নতুন ‘বন্ধু’ হিসেবে টিভিকে উঠে এসেছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)