কোথাও দু’ফুট, কোথাও আবার তিন ফুট বরফের নীচে চলে গিয়েছে। তার সঙ্গে চলছে তুষারপাতও। আর এই পরিস্থিতিতে পর্যটকদের সতর্ক করে নির্দেশিকা জারি করা হল হিমাচল প্রদেশে। শিমলা, মানালি, কুফরির মতো জনপ্রিয় পর্যটনস্থলগুলিতে তুষারপাত শুরু হতেই ভিড় জমাতে শুরু করেছেন পর্যটকেরা। এক দিকে সপ্তাহান্তের ছুটি, তার উপর ২৩ থেকে ২৬ জানুয়ারি অনেকের টানা ছুটি থাকায় হিমাচলের শৈলশহরগুলিতে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন।
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, তুষারপাত শুরু হতেই চণ্ডীগড়, পঞ্জাব, হরিয়ানা এবং দিল্লি থেকে প্রচুর পর্যটক আসছেন। শনিবারেও শিমলা এবং পাহাড়ের উঁচু এলাকায় তুষারপাত হচ্ছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, সবচেয়ে বেশি তুষারপাত হয়েছে কিন্নৌর জেলার কোঠিতে। সেখানে সাড়ে তিন ফুট বরফের নীচে চলে গিয়েছে রাস্তা। অন্য দিকে, কুফরিতেও তুষারপাত হচ্ছে। দু’ফুট বরফের নীচে চলে গিয়েছে এই জায়গা। শিমলাতেও একই পরিস্থিতি।
আরও পড়ুন:
তুষারপাতের জেরে রাস্তা ঢেকে যাওয়ায় বাইক এবং গাড়িচালকদের জন্য সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। যাঁরা চণ্ডীগড় থেকে কুফরিতে আসছেন, তাঁদের শিমলা এড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ, তুষারপাতের জেরে রাস্তায় বিপুল যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবর্তে শিমলা বাইপাস ধরে নিউ আইএসবিটি তুতিকান্ডি হয়ে কুফরিতে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
কালকা-শিমলা বিভাগের প্রকল্প অধিকর্তা আনন্দ দাহিয়া জানিয়েছেন, তুষারপাত হলেও ৫ নম্বর জাতীয় সড়ক দিয়ে মসৃণ ভাবে যান চলাচল করছে। তবে ঢাল্লি-ভট্টকুফ্ফর পুরতান শিমলা রোড শুক্রবার ভারী তুষারপাতের কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে শিমলার আবহাওয়ার পরিস্থিতি শনিবার উন্নতি হয়েছে। তবে তুষারপাত শুরু হওয়ায় হোটেল ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি ফুটেছে। শিমলা হোটেল মালিকদের অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিন্দর শেঠ জানিয়েছেন, হোটেল, গেল্ট হাউস, রেস্ট হাউস ৮০ শতাংশ বুক হয়ে যাবে।