Advertisement
E-Paper

মাকে আধলা ইট দিয়ে থেঁতলে খুন! জমানো টাকা হাতিয়ে বন্ধুর সঙ্গে পালালেন যুবক

ঘটনাটি কাশ্মীরের অনন্তনাগের। মৃতের নাম রাজ়িয়া। তাঁর ছেলে আকিব এবং ছেলের বন্ধু আবিদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, খুনের পর পুলিশকে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা করছিলেন তাঁরা।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০১ নভেম্বর ২০২২ ০৮:৫৪
মাকে খুন করে টাকা হাতিয়ে পালালেন ছেলে।

মাকে খুন করে টাকা হাতিয়ে পালালেন ছেলে। প্রতীকী ছবি।

নিজের মাকে আধলা ইট দিয়ে থেঁতলে খুন করার অভিযোগ উঠল ছেলের বিরুদ্ধে। ছেলের এক বন্ধুকেও এই খুনের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, মায়ের কাছে টাকা চাইতে গিয়েছিলেন ওই যুবক। না পেয়ে মাকে মেরে ফেলেন।

ঘটনাটি কাশ্মীরের অনন্তনাগের। মৃতের নাম রাজ়িয়া। তাঁর ছেলে আকিব আহমেদ খান এবং ছেলের বন্ধু আবিদ হুসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, খুনের পর পুলিশের তদন্তকে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা করছিলেন তাঁরা। খুনের দায় আকিব চাপিয়েছিলেন তাঁর আত্মীয় ও পরিবারের অন্য সদস্যদের ঘাড়ে। তবে তদন্ত এগোতেই পুলিশ তাঁদের চালাকি ধরে ফেলে।

জম্মু ও কাশ্মীরের পুলিশ গত ২১ অক্টোবর রক্তাক্ত অবস্থায় রাজ়িয়ার দেহ উদ্ধার করে। তদন্তে নেমে জানতে পারে, চক্রান্ত করেই রাজ়িয়াকে খুন করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার দিন বাড়িতেই অপেক্ষা করছিলেন আকিব। তাঁর বন্ধু এলে মায়ের কাছে তিনি টাকা চান। মায়ের জমানো টাকা নিয়ে নিতে চান আকিব। রাজ়িয়া তা দিতে রাজি না হলে মা এবং ছেলের মধ্যে বচসা শুরু হয়। আকিব মায়ের গায়ে হাত তোলেন বলে অভিযোগ।

পুলিশের দাবি, ছেলে এবং ছেলের বন্ধুর মারধরের চোটে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন রাজ়িয়া। এর পরেই একটি আধলা ইট নিয়ে এসে তাঁর মাথা থেঁতলে দেওয়া হয়। রক্তে ভেসে যায় রান্নাঘর। মাকে মেরে বন্ধুর সঙ্গে জমানো টাকা হাতিয়ে চম্পট দেন আকিব।

পুলিশ সূত্রে খবর, পারিবারিক অশান্তির জেরে আলাদাই থাকতেন রাজ়িয়া। তাই তাঁকে মারার পর আত্মীয়-স্বজনদের ঘাড়ে দোষ চাপাতে অসুবিধা হয়নি আকিবের। তিনি পুলিশকে প্রথমে জানিয়েছিলেন, তাঁর মাকে ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে। মায়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজন এই খুনের ঘটনায় যুক্ত বলেও দাবি করেছিলেন তিনি। আকিবের বয়ানে পুলিশও প্রথম দিকে বিভ্রান্ত হয়েছিল। তবে তদন্ত এগোতেই ফাঁস হয় গুণধর ছেলের কীর্তি।

Murder son Mother Kashmir
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy