Advertisement
E-Paper

বাড়ি ফিরলেন সনিয়া, দলের দফতরে পতাকা তুলবেন রাহুল

এগারো দিন হাসপাতালে থাকার পর বাড়ি ফিরলেন সনিয়া গাঁধী। এখনও তাঁকে বিশ্রামে থাকারই পরামর্শ দিয়েছেন ডাক্তাররা। আর তাই সোমবার সকালে, কংগ্রেসের সদর দফতরে এই প্রথম রাহুল গাঁধী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ অগস্ট ২০১৬ ০৪:০২

এগারো দিন হাসপাতালে থাকার পর বাড়ি ফিরলেন সনিয়া গাঁধী। এখনও তাঁকে বিশ্রামে থাকারই পরামর্শ দিয়েছেন ডাক্তাররা। আর তাই সোমবার সকালে, কংগ্রেসের সদর দফতরে এই প্রথম রাহুল গাঁধী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন।

২ অগস্ট বারাণসীতে ভোটের প্রচার করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন কংগ্রেস সভানেত্রী। কাঁধেও চোট পান তিনি। দিল্লিতে নিয়ে এসে গঙ্গারাম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। পালমোনলজি ডিপার্টমেন্টের চিকিৎসক অরূপ বসুর অধীনে চিকিৎসাধীন ছিলেন সনিয়া। তাঁর কাঁধে অস্ত্রোপচারও করতে হয়। আজ সকালে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান তিনি। তবে গঙ্গারাম হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডি এস রানা জানিয়েছেন, জ্বর, শরীরে জলের অভাব এবং কাঁধের চোট নিয়ে সনিয়া ভর্তি হয়েছিলেন। তাঁর শরীরের অবস্থা এখন স্থিতিশীল। তাঁকে বিশ্রামে থাকতে বলা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে তাঁকে ফের হাসপাতালে শারীরিক পরীক্ষার জন্য আসতে হবে।

এই পরিস্থিতিতে রাহুলই কংগ্রেসের সদর দফতরে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন বলে ঠিক হয়েছে। দু’দিন আগে পর্যন্তও অবশ্য এ নিয়ে প্রশ্ন ছিল। কারণ ১৯৯৮-তে কংগ্রেস সভানেত্রী হওয়ার পর থেকে এক বার ছাড়া সনিয়াই বরাবর জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। ব্যতিক্রম হয়েছিল ২০১১-য়। চিকিৎসার জন্য সে সময় বিদেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সনিয়াকে। মনে করা হয়েছিল, রাহুলই পতাকা উত্তোলন করবেন। গাঁধী-টুপি পড়ে কংগ্রেস সদর দফতরে হাজিরও হন রাহুল। কিন্তু তিনি দলের কোষাধ্যক্ষ, প্রবীণ নেতা মতিলাল ভোরাকে অনুরোধ করেন পতাকা তোলার।

কংগ্রেস নেতারা বলছেন, তখন পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল। রাহুল তখন অন্য আরও কয়েক জনের মতো এআইসিসি-র সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। কিন্তু এখন তিনি দলের সহ-সভাপতি। দলের দ্বিতীয় ব্যক্তি। কংগ্রেস সভাপতি হওয়া এখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা। কাজেই সনিয়া না থাকলে পতাকা উত্তোলন করা তাঁরই অধিকার। এ বার তাই সরকারি ভাবেই ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে, রাহুলই পতাকা তুলবেন।

বারাণসীর পর ইলাহাবাদে সনিয়া গাঁধীর জনসভা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আপাতত সেই কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছে। সনিয়া গাঁধীর আরও যে সব অনুষ্ঠান ঠিক হয়েছিল, সে সবের তারিখও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। ২০ অগস্ট রাজীব গাঁধীর জন্মদিবসে সদ্ভাবনা সম্মান অনুষ্ঠানে সনিয়ার হাজির থাকার কথা। সেই অনুষ্ঠানেও সনিয়া থাকতে পারবেন কি না সংশয় রয়েছে। সনিয়ার কর্মসূচি পিছিয়ে যাওয়ায় এখন কংগ্রেসের সদর দফতরে উত্তরপ্রদেশ ও পঞ্জাবের ভোটের দিকে তাকিয়ে রাহুলের কর্মসূচিরই প্রস্তুতি চলছে। ইলাহাবাদে সনিয়ার বদলে রাহুল যেতে পারেন। সনিয়ার অসুস্থতার জন্য আপাতত সাংগঠনিক বিষয় বা রাজ্য রাজনীতির বিষয়গুলি নিয়ে রাহুলই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। কংগ্রেস সূত্রের দাবি, এখনও পর্যন্ত রাহুল অধিকাংশ সিদ্ধান্ত নিলেও তাতে শেষ পর্যন্ত সনিয়াই সিলমোহর বসাতেন। তবে সনিয়া সুস্থ না হয়ে ওঠা পর্যন্ত শেষ কথা বলবেন রাহুলই।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy