রোজ অফিসে গিয়ে কাজ করতে হবে না। নির্দিষ্ট সময়ে বাড়িতে বসেই কাজ করতে পারবেন। বেতনও খুব ভাল। ‘সুখের চাকরি’ পেয়ে গিয়েছিলেন ভেবে আনন্দ ধরে রাখতে পারছিলেন না তরুণী। কিন্তু ইন্টারভিউ পর্বের অন্তিম মুহূর্তে পৌঁছে সংস্থার কড়া নিয়মের কথা জানতে পেরে সে চাকরি ছাড়লেন তিনি। সমাজমাধ্যমের পাতায় ভিডিয়ো পোস্ট করে সেই সংস্থার অদ্ভুত নিয়মের কথা জানিয়ে ক্ষোভপ্রকাশও করলেন তরুণী (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।
আরও পড়ুন:
‘স্প্রিঙ্কলঅফগুরলীন_’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে ইনস্টাগ্রামের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে, এক তরুণী ফোনের নিজস্বী ক্যামেরা চালু করে একটি ভিডিয়ো তুলেছেন। সেই ভিডিয়োয় এক বেসরকারি সংস্থায় ইন্টারভিউ দেওয়ার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেছেন তরুণী। এক বেসরকারি সংস্থায় চাকরির জন্য ইন্টারভিউ দিচ্ছিলেন তিনি। বাড়িতে বসেই কাজ। মাস গেলে মোটা বেতন। ‘সুখের চাকরি’ পেয়ে গিয়েছেন ভেবে খুশিও হয়েছিলেন তরুণী। কিন্তু ইন্টারভিউয়ের অন্তিম পর্যায়ে পৌঁছে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল তাঁর।
তরুণীর দাবি, বাড়ি থেকে কাজ করলেও সংস্থার ঊর্ধ্বতনদের কড়া পাহারায় থাকতে হবে তাঁকে। কর্মীরা বাড়ি থেকে যত ক্ষণ কাজ করছেন, তত ক্ষণ অফিসের নজরদারিতে রাখা হয় তাঁদের। ১০ মিনিট অন্তর স্ক্রিনশট নেওয়া হয়। অর্থাৎ, কর্মীরা কী করছেন তা সংস্থার নখদর্পণে থাকে।
তরুণী ক্ষোভপ্রকাশ করে নেটাগরিকদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘‘আমি জানি না, আপনারা এই ধরনের পরিবেশে কাজ করতে রাজি হতেন কি না। কিন্তু আমি এ ভাবে কাজ করতে পারব না। আমি স্থির হয়ে ১০ মিনিট এক জায়গায় বসে থাকতে পারি না। অফিসের কর্মীদের কাজের উপর নজর রাখা, কর্মক্ষেত্রের সার্বিক উন্নতির কথা সব কিছুই বুঝি। কিন্তু ১০ মিনিট অন্তর স্ক্রিনশট নিয়ে পাহারায় রাখা মেনে নেওয়া যায় না।’’
ভিডিয়োটি দেখে তরুণীকে সমর্থন করেছেন নেটপাড়ার অধিকাংশ। এক জন লিখেছেন, ‘‘এমন পরিবেশে কাজ করলে দমবন্ধ লাগে। তা ছাড়া বিষাক্ত পরিবেশে বেশি দিন কাজ করাও যায় না। আপনি চাকরিতে না ঢুকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’’