E-Paper

গৃহকর্মীদের মজুরি বাঁধায় সায় নেই, ইউনিয়নে ভয়

ট্রেড ইউনিয়নগুলি তা হলে প্রায় প্রতিটি পরিবারকে মামলায় জড়িয়ে ফেলবে, যার ফলে গৃহকর্মী নিয়োগেই অনীহা তৈরি হবে।

শেষ আপডেট: ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:০২

গৃহকর্মীদের ন্যূনতম মজুরি পাওয়ার অধিকারকে মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষণা করার আবেদন নাকচ হয়ে গেল সুপ্রিম কোর্টে। বিভিন্ন রাজ্যের গৃহকর্মী সংগঠন ও শ্রমিক ইউনিয়ন এই আবেদনটি পেশ করেছিল। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ জানাল, ন্যূনতম মজুরি বেঁধে দিলে হিতে বিপরীত হতে পারে। শীর্ষ আদালতের আশঙ্কা, ট্রেড ইউনিয়নগুলি তা হলে প্রায় প্রতিটি পরিবারকে মামলায় জড়িয়ে ফেলবে, যার ফলে গৃহকর্মী নিয়োগেই অনীহা তৈরি হবে। সে ক্ষেত্রে ভুগবেন এই পেশার কর্মীরাই। একই সঙ্গে সামগ্রিক ভাবে ট্রেড ইউনিয়নের ভূমিকা সম্পর্কেও কড়া মন্তব্য করেছে কোর্ট।

প্রধান বিচারপতি বলেন, আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে যে গৃহকর্মীদের জন্য বাধ্যতামূলক ন্যূনতম মজুরি না থাকলে সংবিধানপ্রদত্ত সমতা, বৈষম্যহীনতা এবং ন্যায্য কর্মসংস্থানের অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। কিন্তু অতিসক্রিয় ট্রেড ইউনিয়নের কারণে উল্টে গৃহকর্মীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন বলে তাঁর আশঙ্কা। এই প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, ‘‘দেশে শিল্পের গতিরুদ্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে ট্রেড ইউনিয়ন অনেকাংশে দায়ী। বহু বনেদি শিল্প ঝান্ডাবাজ ইউনিয়নের কারণে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তারা কাজ করতেই চায় না।’’

আবেদনকারীদের পক্ষে আইনজীবী রাজু রামচন্দ্রনের আর্জি ছিল, সংবিধানের ২১ ও ২৩ অনুচ্ছেদের অধীনে গৃহকর্মীদের ন্যূনতম মজুরি পাওয়ার অধিকার একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষিত হোক। ২০১৯-এর ন্যূনতম মজুরি আইনের আওতায় গৃহকর্মীরা কেন পড়বেন না, সেই প্রশ্নও ওঠে। কিন্তু আদালতের সিদ্ধান্ত হল, বিষয়টি রাজ্য সরকারগুলির উপরে ছেড়ে দেওয়া উচিত। বিচারপতি বাগচী আইনজীবীর উদ্দেশে বলেন, ‘‘গৃহকর্মীদের জন্য কোনও সুরক্ষা নেই, এমন বলা যায় না। আপনারাই বলছেন অসংগঠিত শ্রমিক সামাজিক সুরক্ষা আইন এই বিষয়গুলি দেখছে।’’

রামচন্দ্রন অন্যান্য দেশের কল্যাণমূলক ব্যবস্থার কথা তোলেন। তিনি মনে করিয়ে দেন, সমষ্টিগত ভাবে দর কষাকষির সুযোগ ফলদায়ী হয়ে থাকে। আবেদনকারীরা ভুঁইফোঁড় নন, তাঁরা নথিভুক্ত ট্রেড ইউনিয়ন। তখনই প্রধান বিচারপতি ট্রেড ইউনিয়নের বিপদ সম্পর্কে কড়া মন্তব্য করে বলেন, ন্যূনতম মজুরি কার্যকর হলে এই ইউনিয়নগুলি প্রতিটি পরিবারকে মামলায় জড়াবে এবং ন্যূনতম মজুরির একটি বড় অংশ নিয়োগ সংস্থাগুলি আত্মসাৎ করবে। এই প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টেরই একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘সুপ্রিম কোর্ট দক্ষ কর্মী নেওয়ার জন্য একটি সংস্থাকে প্রতি কর্মীর জন্য

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Supreme Court of India

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy