Advertisement
E-Paper

ত্বক ভাল রাখার নতুন উপায় হল ময়েশ্চার মাস্কিং, বিষয়টি কী? কেনই বা চেনা রুটিন বদলে এটি করবেন?

পদ্ধতিটি খুব ঝুটঝামেলার নয়। তার জন্য কোনও দামি প্রসাধনীর বা পার্লারে যাওয়ারও দরকার নেই। বাড়িতে বসে হাতে নিজের জন্য আধ ঘণ্টা সময় পেলেই এটি করে ফেলা যায়। অথচ সুফল হয় দীর্ঘস্থায়ী।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ মার্চ ২০২৬ ১২:৪৪
পার্লার, দামী প্রসাধনীর বিকল্প!

পার্লার, দামী প্রসাধনীর বিকল্প! ছবি: সংগৃহীত।

ময়েশ্চার মাস্কিং হল ত্বককে স্বাস্থ্যকর আর্দ্রতা দিয়ে সম্পৃ্ক্ত করে রাখার একটি সহজ-সরল পদ্ধতি। যে হাইড্রেশন বা আর্দ্রতা ত্বকের স্বাস্থ্যের চাবিকাঠি, এই কৌশলে ত্বকের সেই আর্দ্রতাকে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া যায়।

পদ্ধতিটি খুব ঝুটঝামেলার নয়। তার জন্য কোনও দামি প্রসাধনীর বা পার্লারে যাওয়ারও দরকার নেই। বাড়িতে বসে হাতে নিজের জন্য আধ ঘণ্টা সময় পেলেই এটি করে ফেলা যায়। অথচ সুফল হয় দীর্ঘস্থায়ী।

এই পদ্ধতিতে ত্বকের উপর আর্দ্রতার এমন একটি স্তর তৈরি হয়, যা দীর্ঘ ক্ষণ আর্দ্রতাকে ত্বকের ভিতরে আটকে রাখতে পারে। ফলে ত্বক ভিতর থেকে সতেজ এবং উজ্জ্বল দেখায়।

ময়েশ্চার মাস্কিং কীভাবে করতে হয়?

এটি সাধারণত দু'ভাবে করা যায়। হয় শিট মাস্ক ব্যবহার করে অথবা ফেসিয়াল অয়েল ও ময়েশ্চারাইজ়ারের স্তর তৈরি করে।

১. প্রথমে একটি মাইল্ড ক্লিনজ়ার দিয়ে মুখ ভাল করে ধুয়ে নিন।

২. মুখ হালকা ভিজে থাকতেই কোনও হাইড্রেটিং টোনার বা হায়ালুরোনিক অ্যাসিড যুক্ত সিরাম লাগান।

৩. এবার একটি হাইড্রেটিং শিট মাস্ক মুখে ১৫-২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। অথবা যদি শিট মাস্ক না থাকে, তবে ভাল মানের কোনও স্লিপিং মাস্ক বা ঘন ময়েশ্চারাইজ়ার পুরু করে লাগিয়ে রাখতে পারেন।

৪. ১৫-২০ মিনিট পরে মাস্ক সরানোর পর ত্বকে লেগে থাকা অতিরিক্ত অংশ আলতো হাতে মাসাজ করে দিন। যদি ক্রিম মেখে থাকেন, তবে অতিরিক্ত ক্রিমও মুখে মাসাজ করে নিন।

৫. শেষে ভাল কোনও ফেসিয়াল অয়েল বা ঘন ক্রিম লাগিয়ে নিলেই আর্দ্রতা ত্বকের ভিতরে ভাল ভাবে প্রবেশ করবে এবং দীর্ঘ ক্ষণ থেকে যাবে।

ত্বকের কী উপকারে লাগে?

যে গ্লাস স্কিন পাওয়ার জন্য মাতামাতি সর্বত্র, এই প্রক্রিয়ায় তা সহজে পাওয়া সম্ভভ। ময়েশ্চার মাস্কিং অনেকটা ‘গ্লাস স্কিন' ট্রিটমেন্টের মতোই কাজ করে।

১. ত্বক ডিহাইড্রেটেড থাকলে কালচে দেখায়। এই পদ্ধতিতে ত্বক নিমেষেই উজ্জ্বল হবে।

২. ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়। অর্থাৎ বয়স বাড়লে ত্বকের যে ঝুলে পড়ার প্রবণতা তৈরি হয়। তার জন্য এই কৌশল কার্যকরী। এতে ত্বক অনেকখানি নরমও হয়।

৩. আর্দ্রতা না থাকলে ত্বকে ফাইনলাইন বা সূক্ষ্ম বলিরেখা বেশি দেখা যায়। ময়েশ্চার মাস্কিং ওই ধরনের বলিরেখা পড়তে দেয় না। ত্বকের টানটান ভাব বজায় রাখতে সাহায্য করে।

৪. এটি ত্বকের সুরক্ষাকবচ বা স্কিন ব্যারিয়ারের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ফলে ব্যাক্টেরিয়াজনিত সংক্রমণ, ব্রণ, র‌্যাশের সমস্যা সহজে হয় না।

কারা ময়েশ্চার মাস্কিং করতে পারেন?

সব ধরনের ত্বকেই করা যায়, তবে বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে ময়েশ্চার মাস্কিং ম্যাজিকের মতো কাজ করে। যেমন—

১. যাঁদের ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ। সব সময় খসখসে ভাব থাকে।

২. দীর্ঘ ভ্রমণ, রাত জাগা বা কাজের চাপে ত্বক প্রাণহীন দেখালে এই মাস্কিং কৌশল কাজ করে।

৩. শুষ্ক আবহাওয়া হলে, বাতাস ত্বকের আর্দ্রতা শুষে নেয়। সে ক্ষেত্রেও ময়েশ্চার মাস্কিং কাজে লাগবে ত্বক ভাল রাখতে।

৪. বয়সের ছাপ কমাতে এবং ত্বককে সতেজ রাখতেও সাহায্য করে।

খেয়াল রাখতে হবে

ত্বক যদি খুব বেশি তৈলাক্ত বা ব্রণপ্রবণ হয়, তবে খুব ভারী তেল বা কমেডোজেনিক ক্রিম এড়িয়ে চলাই ভাল। সেক্ষেত্রে জেল-বেসড হাইড্রেটিং মাস্ক বেছে নিন।

Moisture Masking Skin Care Tips Skin Care at 40 Skin Care Advice
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy