Advertisement
E-Paper
WBState_Assembly_Elections_Lead0_02-05-26

কাঠবাদামের তেল মিষ্টি, তেতো দুই-ই হয়! ত্বক বা চুলের জন্য ভাল কোনটি, কেনার আগে জেনে নিন

কোনও কোনও তেলের শিশিতে লেখা থাকে ‘সুইট আমন্ড অয়েল’। কোনওটিতে থাকে শুধুই 'আমন্ড অয়েল'। চুল-ত্বকের জন্য কোনটি ভাল?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০২ মে ২০২৬ ১৪:৩৭
কাঠবাদামের তেল  দিয়ে রূপচর্চা! কেনার আগে কোন বিষয় জানা জরুরি?

কাঠবাদামের তেল দিয়ে রূপচর্চা! কেনার আগে কোন বিষয় জানা জরুরি? গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

ত্বকের পরিচর্যা হোক বা চুলের যত্ন, আমন্ড অয়েল বা কাঠবাদামের তেলের ব্যবহার নতুন নয়। প্রাকৃতিক উপাদানে রূপচর্চা করতে যাঁরা পছন্দ করেন, তাঁদের অনেকেই এই তেল বেছে নেন। বাজারচলতি বহু প্রসাধনীতেই আমন্ড অয়েল ব্যবহার করা হয়। কিন্তু কোন আমন্ড অয়েল?

খেয়াল করলে দেখা যাবে, কোনও কোনও তেলের শিশিতে লেখা থাকে ‘সুইট আমন্ড অয়েল’। কোনওটিতে থাকে শুধুই 'আমন্ড অয়েল'। কোনও তেল হয় হালকা, কোনওটি আবার খানিক ভারী, চটচটে ধরনের।

কাঠবাদামেরও ধরন আছে। যে কাঠবাদাম সাধারণত খাওয়া হয়, সেটি মিষ্টি বাদামের তালিকায় পড়ে। তবে আর এক ধরনের কাঠবাদাম মেলে, যেটিকে চিহ্নিত করা হয় ‘বিটার আমন্ড’ হিসাবে। মুখে বা চুলে মাখার জন্য যে তেলটি ব্যবহৃত হয়, সেটি সাধারণত ‘সুইট আমন্ড অয়েল’। ভাল মানের তেল সাধারণত হালকা হয়ে থাকে, তা যে কোনও বয়সি এবং শিশুদের ত্বক এবং চুলের উপযোগী। তাতে বাদামের হালকা গন্ধ থাকে। ভারতের মতো উষ্ণ এবং আর্দ্র আবহাওয়ায় এই তেল খুব সহজেই ত্বকে শোষিত হয়।

এক ধরনের কাঠবাদাম হয়, যেটি খানিক তেতো, তা থেকেই তৈরি হয় ‘বিটার আমন্ড অয়েল’। এটি এসেনশিয়াল অয়েল হিসাবে ব্যবহার হয়। সুগন্ধি তৈরির ক্ষেত্রে কাজে লাগে। তবে এই তেল কখনও ত্বকে সরাসরি মাখা চলে না। এর কিছু ঔষধি গুণ রয়েছে। অ্যারোমাথেরাপিতে এর ব্যবহার হয়।

ত্বক এবং চুলের জন্য কোন ধরনের তেল বেছে নেবেন?

ভার্জিন, রিফাইনড, অর্গ্যানিক— কাঠবাদামের তেলেরও বিভিন্ন ধরন আছে।

রিফাইনড অয়েল: উচ্চ তাপমাত্রায় বিশেষ প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে এই তেল পরিবেশাধন করা হয়। প্রক্রিয়াকরণের ফলে কিছু ভিটামিন কমে যায়। এটি হালকা হলুদ বর্ণের হয়। রূপচর্চায় রিফাইনড আমন্ড অয়েল জনপ্রিয়।

ভার্জিন অয়েল: ‘কোল্ড প্রেস’ পদ্ধতি বা ঘানিতে কাঠবাদামের বীজ থেকে তৈরি হয়। উচ্চ তাপমাত্রায় ব্যবহার হয় না বলে, তেলে ভিটামিন এবং খনিজের পুষ্টিগুণ যথাযথ ভাবে বজায় থাকে। ভোজ্য তেল হিসাবে, প্রসাধনী হিসাবে এটি ব্যবহার করা যায়। রুক্ষ ত্বকের যত্নে ভার্জিন আমন্ড অয়েল ভাল।

অর্গ্যানিক বা জৈবিক তেল: এই ধরনের তেল তৈরি হয় জৈবিক পদ্ধতিতে চাষ করা কাঠবাদাম থেকে। চাষের সময় কোনও রাসায়নিক সার বা কীটনাশকের ব্যবহার হয় না।

ভিটামিন ই এবং প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিডে সমৃদ্ধ কাঠবাদামের তেল ত্বকের বলিরেখা, কালচে ছোপ দূর করতে সাহায্য করে। রুক্ষ ত্বকেও জেল্লা ফেরায়। এই তেল ব্যবহার করা যায় চুলের পরিচর্যাতেও। কেনার আগে দেখে দিন তেলটি কোন ধরনের। পাতলা এবং ঈষৎ ভারী— দুই ধরনের কাঠবাদামের তেল পাওয়া যায়। ত্বকের ধরন অনুযায়ী তেল বেছে নিন।

Almond Oil Skin Care Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy