Advertisement
E-Paper
WBState_Assembly_Elections_Lead0_02-05-26

দেড় মাসে ২০ জনকে হামলা, আক্রমণের পরই গা ঢাকা, তাণ্ডবে ত্রস্ত বিশ্ববিদ্যালয়! দু’বার ফাঁদ পেতেও অধরা খুদে ‘দুর্বৃত্ত’

রাজস্থানের উদয়পুরের মোহনলাল সুখাদিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের কাছে কোনও একটি গাছে বাসা বেঁধেছে খুদে আক্রমণকারী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিনা উস্কানিতেই আক্রমণ করে, পথচারীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে প্রাণীটি। কাজ সেরেই দ্রুত গাছের আড়ালে গা ঢাকা দেয়।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০২ মে ২০২৬ ১৬:০৫

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

ছোট্ট প্রাণীর দাপটে অস্থির গোটা বিশ্ববিদ্যালয়। লেজ তুলে ক্যাম্পাসে ‘তাণ্ডব’ চালিয়ে যাচ্ছে খুদে এক কাঠবিড়ালি। গত ছ’সপ্তাহে গেছো প্রাণীটি প্রায় ২০ জন ছাত্রছাত্রী ও কর্মচারীকে আক্রমণ করেছে। রাজস্থানের উদয়পুরের মোহনলাল সুখাদিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্টস ক্যাম্পাসে কাঠবিড়ালির আতঙ্কে ভুগছেন পড়ুয়া থেকে শুরু করে শিক্ষক ও কর্মচারীরা। এক বার নয়, দু’বার প্রাণীটিকে ধরার জন্য উদ্ধারকারী দলকে ডাকা হয়েছে। কিন্তু ফল শূন্য। প্রতি বার হাত ফস্কে পালিয়েছে খুদে ‘শয়তান’।

সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের কাছে কোনও একটি গাছে বাসা বেঁধেছে কাঠবিড়ালিটি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিনা উস্কানিতেই আক্রমণ করে, পথচারীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে প্রাণীটি। কাজ সেরেই দ্রুত গাছের আড়ালে গা ঢাকা দেয়। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর হয়ে উঠেছে যে, ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক-শিক্ষিকারা এখন মনোবিজ্ঞান বিভাগে যাওয়ার পথটি ব্যবহার করতেও ভয় পাচ্ছেন। কলেজের ডিনকেও আক্রমণ করে বসেছে কাঠবিড়ালিটি। কলেজের সহযোগী ডিন নবীন নাভানা জানিয়েছেন, কাঠবিড়ালির আক্রমণের অভিযোগ আসা শুরু হওয়ার পর থেকে কর্তৃপক্ষ দু’বার উদ্ধারকারী দলকে ডেকেছিলেন। বিভিন্ন স্থানে খাঁচাও পাতা হয়েছিল। চতুর প্রাণীটি প্রতি বারই ফাঁদ এড়িয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে করেন, কাঠবিড়ালিটির এই হিংস্র আচরণ আসলে তার এলাকা রক্ষার প্রচেষ্টা। কাঠবিড়ালিটিকে দেখা গেলে অবিলম্বে কর্তৃপক্ষকে খবর দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

উদয়পুরের প্রাণিসম্পদ বিভাগের আধিকারিক শৈলেন্দ্র কুমার শর্মা সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন কাঠবিড়ালির কামড়ে জলাতঙ্কের ঝুঁকি নেই। তবুও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে টিটেনাস ইঞ্জেকশন নেওয়া বাধ্যতামূলক। কাঠবিড়ালিটির আক্রমণাত্মক আচরণের সম্ভাব্য কারণও জানিয়েছেন তিনি। কিছু ক্ষেত্রে আংশিক অন্ধত্ব বা নির্দিষ্ট রঙের কারণে সৃষ্ট বিরক্তির ফলে প্রাণীরা আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারে।

Rajasthan
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy