Advertisement
E-Paper

‘মাদকাসক্ত ছিলেন ত্বিশা’! হয়রানির অভিযোগ অস্বীকার করে পুত্রবধূর আচরণ নিয়ে প্রশ্ন অভিযুক্ত শাশুড়ির

খুনের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে। বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ। সোমবার মধ্যপ্রদেশের এক আদালতে জামিনের আবেদন করে গিরিবালা দাবি করেন, ত্বিশা মাদকের প্রতি আসক্ত ছিলেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ মে ২০২৬ ১৯:৪৭
Twisha Sharma\\\\\\\\\\\\\\\'s in-laws in reject harassment charge

ত্বিশা শর্মা। — ফাইল চিত্র।

কোনও হয়রানি করা হয়নি। মাদকাসক্ত ছিলেন ত্বিশা শর্মা! এমনই দাবি করলেন তাঁর শাশুড়ি গিরিবালা সিংহ। তিনি অবসরপ্রাপ্ত বিচারক। মধ্যপ্রদেশের ভোপালে যুবতীর মৃত্যুর ঘটনায় রহস্য দানা বাঁধছে। ত্বিশার বাবা-মা অভিযোগ তুলেছেন, তাঁদের কন্যাকে পণের দাবিতে অত্যাচার করা হত। তবে অত্যাচার বা হয়রানির অভিযোগ মানতে নারাজ ত্বিশার শাশুড়ি।

নয়ডার বাসিন্দা ত্বিশা। তবে বিবাহসূত্রে থাকতেন ভোপালে। গত ১২ মে ভোপালের কাটরা হিল্‌স এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ত্বিশার ঝুলন্ত দেহ। ত্বিশার বাপের বাড়ির পরিবারের অভিযোগ, তাঁর স্বামী সমর্থ সিংহ এবং শাশুড়ি খুন করেছেন ত্বিশাকে। শুধু তা-ই নয়, গিরিবালা অবসরপ্রাপ্ত বিচারক হওয়ায় তদন্তে প্রভাবও খাটাচ্ছেন বলেও অভিযোগ।

খুনের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে। বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ। সোমবার মধ্যপ্রদেশের এক আদালতে জামিনের আবেদন করে গিরিবালা দাবি করেন, ত্বিশা মাদকের প্রতি আসক্ত ছিলেন। দিনে দিনে মানসিক অবসাদে ভুগতে শুরু করেন। আর সেই থেকেই আত্মহত্যা করেছেন ত্বিশা।

গিরিবালার দাবি, বিয়ের আগে থেকেই অভিনয়জগতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ত্বিশা। বিজ্ঞাপনের কাজও করতেন। পরে দিল্লির একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন ত্বিশা। বিয়ের পরেও বাড়ি থেকে কাজ করতেন। তবে বিয়ের কিছু দিন পর থেকেই ত্বিশার মধ্যে অস্বাভাবিক কিছু লক্ষ করেন বলে দাবি গিরিবালার। সন্দেহ হয় ত্বিশা মাদকাসক্ত! গত ডিসেম্বর থেকে মে পর্যন্ত পাঁচ বার বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র গিয়ে থাকতেন ত্বিশা।

কেন মাদকাসক্ত বলে সন্দেহ? গিরিবালা জানিয়েছেন, বিগত বেশ কয়েক দিন ধরেই তিনি লক্ষ করছেন ত্বিশার হাত-পা কাঁপছে। মেজাজ সব সময়ে সপ্তমে চ়ড়ে থাকত। হঠাৎ হঠাৎ মেজাজ পাল্টে যেত। রাগারাগি করতেন। গিরিবালার মতে, বাড়িতে মাদক সেবন করতে পারতেন না বলেই ত্বিশা এমন আচরণ করতেন। গিরিবালা এ-ও জানিয়েছেন, বিষয়টি ত্বিশার বাবাকে জানিয়েছিলেন তিনি। তখন না কি তিনি কন্যার মাদকাসক্তির বিষয়টি স্বীকার করেছিলেন।

গিরিবালা আদালতে জানিয়েছেন, গত ১৭ এপ্রিল হাসপাতালে গিয়ে ত্বিশা জানতে পারেন তিনি অন্তঃসত্ত্বা। তার পর আরও জটিল হয়ে যায় বিষয়টা। তাঁকে প্রায়শই বিচলিত দেখাত। হাসপাতাল থেকে ভোপালের বাড়িতে ফিরতে চাননি ত্বিশা। জানিয়েছিলেন নয়ডায় ফিরে যেতে চান। ১৮ এপ্রিল দিল্লির বিমানে ওঠেন ত্বিশা। কিন্তু দিল্লি নেমে সরাসরি বাপের বাড়ি যাননি ত্বিশা, অভিযোগ গিরিবালার। কেন দেরি হল নয়ডার বাড়িতে পৌঁছোতে তার কোনও ব্যাখ্যাও দেননি ত্বিশা। গিরিবালার মতে, আত্মহত্যার আগে ত্বিশার এই গতিবিধি যথেষ্ট উদ্বেগের।

Mysterious death Bhopal
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy