দু’টি টেস্টের সিরিজ় খেলতে আগামী অগস্টে শ্রীলঙ্কা সফরে যাওয়ার কথা শুভমন গিলদের। আবার আগামী ডিসেম্বরে দু’টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে দ্বীপরাষ্ট্রে যাওয়ার কথা ভারতীয় দলের। তবে এই দু’টি ম্যাচ নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।
গত বছর শ্রীলঙ্কায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যার্থে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিসিআই) তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার প্রস্তাব দেয় শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট। প্রস্তাবে প্রাথমিক ভাবে সায় দেন বিসিসিআই কর্তারাও। ঠিক হয় ডিসেম্বরে হবে ম্যাচ তিনটি। কিন্তু ভারতীয় দলের ঠাসা আন্তর্জাতিক সূচির জন্য অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে ম্যাচগুলি।
২০২৫-২৭ টেস্ট বিশ্বকাপ চক্রের ম্যাচ দু’টির সূচিও চূড়ান্ত হয়নি এখনও। আইপিএল শেষ হওয়ার পর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে একটি টেস্ট খেলবে ভারত। তার পর ইংল্যান্ড সফরে যাবে সাদা বলের সিরিজ় খেলতে। অগস্টে শ্রীলঙ্কায় যাওয়ার কথা ভারতের। এর পর নভেম্বরে নিউ জ়িল্যান্ড সফরে গিয়ে দু’টি টেস্ট খেলবেন শুভমনেরা। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট এবং বিসিসিআই প্রাথমিক ভাবে ঠিক করেছে দু’টেস্টের সিরিজ়টি হবে ১৫ থেকে ২৭ অগস্টের মধ্যে। লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ শেষ হওয়ার কথা ৮ অগস্ট। ৯ অগস্ট ফাইনালের রিজার্ভ দিন রাখা হয়েছে। ১৫ অগস্ট প্রথম টেস্ট শুরু হলে এক সপ্তাহও বিশ্রাম পাবেন না শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারেরা। তাই টেস্ট সিরিজ় শুরুর দিন এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে এই সিরিজ় হওয়া নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই।
সেপ্টেম্বরেও ভারতীয় দলের সূচি বেশ ঠাসা। সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সাদা বলের ছ’টি ম্যাচ খেলার সম্ভাবনা রয়েছে ভারতের। এই সিরিজ়ের দিনও এখনও চূড়ান্ত হয়নি। দু’দেশের বোর্ড কর্তারা আলোচনা করছেন। সিরিজ়ের সূচি চূড়ান্ত হতে খুব বেশি সময় লাগবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। এর পর সংযুক্ত আরব আমিহশাহিতে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ় খেলার কথা রয়েছে ভারতের। এর পর ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত রয়েছে এশিয়ান গেমস। তার পর দেশের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে সাদা বলের সিরিজ় হওয়ার সম্ভাবনা।
আরও পড়ুন:
তিন ধরনের ক্রিকেট মিলিয়ে ২০২৬ সালে ভারতীয় দলকে প্রায় ৫০টি ম্যাচ খেলতে হবে। স্বাভাবিক ভাবেই ক্রিকেটারদের ক্লান্তি ভাবাচ্ছে বোর্ড কর্তাদের। এই মুহূর্তে বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ শইকীয়া শ্রীলঙ্কায় রয়েছেন। টেস্ট সিরিজ়ের সূচি নিয়ে তিনি আলোচন করছেন শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট প্রশাসকদের সঙ্গে। কিছু দিন আগে সে দেশের সরকার ক্রিকেট বোর্ড ভেঙে দিয়েছে। ফলে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটেও প্রশাসনিক অস্থিরতা এবং অনিশ্চয়তা রয়েছে। এটাও ভাবাচ্ছে বিসিসিআই কর্তাদের।