পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টে শতরান করে নজির গড়লেন মুশফিকুর রহিম। ১৪তম টেস্ট শতরান করে ভেঙে দিলেন ব্রায়ান লারার ২০ বছরের রেকর্ড। দ্বিতীয় বয়স্কতম ক্রিকেটার হিসাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্ট শতরানও করেছেন তিনি।
এই শতাব্দীতে সবচেয়ে বয়স্ক ক্রিকেটার হিসাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্ট শতরান করলেন মুশফিকুর। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ উইকেটরক্ষক-ব্যাটার সিলেটের শতরানটি করলেন ৩৯ বছর ৭ দিন বয়সে। ভেঙে দিলেন লারার রেকর্ড। লারা ২০০৬ সালে মুলতানে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শতরান করেছিলেন ৩৭ বছর ১৯৩ দিন বয়সে। সে বছরই লাহৌর টেস্টে ৩৭ বছর ১৯৩ দিন বয়সেও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শতরান করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের প্রাক্তন অধিনায়ক। তাঁর আগে ২০০২ সালে স্টিভ ওয় শারজায় ৩৭ বছর ১৩৯ দিন বয়সে শতরান করেছিলেন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। আবার ২০২৪ সালে মুশফিকুর রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে শতরান করেছিলেন ৩৭ বছর ১০৪ দিন বয়সে।
দ্বিতীয় বয়স্কতম ক্রিকেটার হিসাবেও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্ট শতরান করলেন মুশফিকুর। এই রেকর্ড রয়েছে ইংল্যান্ডের টম গ্রেভেনির দখলে। তিনি ১৯৬৯ সালে ৪১ বছর ২৬৩ দিন বয়সে শতরান করেছিলেন করাচি টেস্টে। এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ইংল্যান্ডের গ্রাহাম গুচ। তিনি ১৯৯২ সালে লিডসে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শতরান করেন।
বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যেও সবচেয়ে বেশি টেস্ট শতরান করার নজির গড়েছেন মুশফিকুর। সোমবার ১৪তম শতরান করে তিনি টপকে গেলেন সতীর্থ মোমিনুল হককে। তাঁর ১৩টি টেস্ট শতরান রয়েছে। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন তামিম ইকবাল। তাঁর টেস্ট শতরানের সংখ্যা ১০।
২০০৫ সালে টেস্ট অভিষেক হয় মুশফিকুরের। ২১ বছর ধরে দেশের হয়ে লাল বলের ক্রিকেট খেলছেন। এশিয়ার ক্রিকেটারদের মধ্যে এর চেয়েও বেশি সময় টেস্ট খেলার নজির রয়েছে শুধু সচিন তেন্ডুলকরের। তাঁর টেস্টজীবন ২৪ বছরের। এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে ইমরান খান। পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়কের টেস্টজীবন ২০ বছর ২১৮ দিনের।
আরও পড়ুন:
মুশফিকুরের ১৩৭, লিটন দাসের ৬৯ এবং মাহমুদুল হাসান জয়ের ৫২ রানের সুবাদে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ তুলেছে ৩৯০ রান। দু’টেস্টের সিরিজ়ে সমতা ফেরাতে হলে পাকিস্তানকে চতুর্থ ইনিংসে ৪৩৭ রান করতে হবে। তাড়া করে তৃতীয় দিনের খেলার শেষে শান মাসুদের দলের দ্বিতীয় ইনিংসের রান ০/০। এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ২৭৮ রানের জবাবে পাকিস্তান করেছিল ২৩২ রান।