মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে তরুণীকে তাঁর প্রেমিকের সামনে সাত জন মিলে ধর্ষণ করলেন। অভিযোগ উঠল অসমের শিলচরে। শুধু তা-ই নয়, অভিযোগ, ওই যুগলের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা আদায় করা হয়। ঘটনাটি ১৯ ফেব্রুয়ারির। সংবাদসংস্থা পিটিআইকে এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, শিলচর সদর থানায় একটি এফআইআর দায়ের হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, দু’জনকে শনাক্ত করেছেন নির্যাতিতা। তার ভিত্তিতে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশের কাছে নির্যাতিতার পরিবার দাবি করেছে, প্রমিকের সঙ্গে একটি গাড়িতে করে বেরিয়েছিলেন তাঁরা। শিলচর শহর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে বাইপাস রোডে তরুণী এবং তাঁর প্রেমিক গাড়িতেই ছিলেন। সেই সময় এক দল যুবক একটি এসইউভি-তে আসেন। তরুণীদের গাড়ির পথ আটকে দাঁড়ান। সূত্রের খবর, ওই যুবকেরা প্রথমে যুগলের পরিচয়, ঠিকানা জানতে চান। আচমকাই বন্দুক বার করে দু’জনকে শাসান। তার পর দু’জনকে গাড়ি থেকে নামান।
আরও পড়ুন:
অভিযোগ, তরুণীর মাথায় বন্দুক ঠেকান এক জন। তার পর তাঁকে হিড়হিড় করে টেনে নিয়ে যান। নির্যাতিতার দাবি, অভিযুক্তেরা সংখ্যায় সাত জন ছিলেন। প্রেমিকের সামনেই তাঁকে গণধর্ষণ করেন। পুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতার মেডিক্যাল পরীক্ষা করানো হয়েছে। তাঁর বয়ানও নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভ বাড়তে থাকে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করার দাবি জোরালো হতে শুরু করেছে।
তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সুস্মিতা দেব কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘এই মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে কাছারের পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করেছি। আমাকে বলা হয়েছে মেডিক্যাল রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।’’