প্রেমিক সম্পর্ক রাখতে চায়নি। রাগে-দুঃখে থানার ভিতরে বসে ব্লেড দিয়ে হাতের শিরা কাটলেন এক বধূ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের সীতাপুরে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
উত্তরপ্রদেশ পুলিশ সূত্রে খবর, ওই মহিলার নাম পূজা মিশ্র। আদতে দিল্লির বাসিন্দা ওই মহিলা বিবাহিত। তাঁর দুই পুত্রসন্তান রয়েছে। তাদের এক জনের বয়স সাত এবং এক জন ছ’বছর। সম্প্রতি পূজাদের পরিবারে অশান্তি হচ্ছিল। কারণ, ভাসুরের পুত্র অলোক মিশ্রের সঙ্গে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন কাকিমা পূজা।
জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, তাঁদের ঘনিষ্ঠতা শুরু হয় পারিবারিক অনুষ্ঠানে। ১৫ বছরের ছোট এবং সম্পর্কে ভাইপোর সঙ্গে এই সম্পর্ক নিয়ে বাড়িতে তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয়। ঝগড়া করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন পূজা। এর মধ্যে অলোকও বাড়ি ছাড়েন। মাস সাতেক ধরে পূজা এবং অলোক বাড়িভাড়া করে ছিলেন সীতাপুরে।
আরও পড়ুন:
এর মধ্যে পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পূজা এবং অলোকের খোঁজ চালাচ্ছিল পুলিশ। দিন কয়েক আগে তারা ঠিকানা জানতে পারার পরে থানায় ডেকে পাঠান যুগলকে। অভিযোগ, সেখানে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তর্কে জড়ান পূজা। কিন্তু ভাইপো জানিয়ে দেন, কাকিমার সঙ্গে আর এই সম্পর্ক রাখবেন না। ওই কথা শুনে ব্যাগ থেকে ব্লেড বার করে নিজের হাতে বসিয়ে দেন পূজা। শিরা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। থানার মধ্যে এমন ঘটনার জন্য প্রস্তুত ছিলেন না পুলিশকর্মীরা। প্রথমে হকচকিয়ে যান সকলে। কয়েক মুহূর্ত পরে মহিলা পুলিশ গিয়ে পূজাকে উদ্ধার করেন। নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। গুরুতর জখম ওই মহিলার চিকিৎসা চলছে।