সমাজমাধ্যমে অসত্য এবং বিদ্বেষমূলক প্রচারের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছিল সোমবার। চণ্ডীগড় এবং দিল্লি পুলিশের দল ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পৌঁছে গেল শিক্ষাবিদ তথা লেখিকা মধু কিশওয়ারের দফতরে। মধু নিজেই সমাজমাধ্যমে তাঁর দিল্লির ঠিকানায় পুলিশি অভিযানের কথা জানিয়েছেন।
পুলিশ সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত খবরে দাবি, ‘অসত্য তথ্য’ পরিবেশন করে ধর্ম, জাতি, ভাষার ভিত্তিতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা, ঘৃণা বা বিদ্বেষ উস্কে দেওয়ার অভিযোগে মধুর বিরুদ্ধে ১৯৬ ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পাশাপাশি, জালিয়াতি সংক্রান্ত ধারা ৩৩৬(১) এবং মানহানির ধারা ৩৫৬-সহ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারা এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৬সি, ৬৬ডি এবং ৬৭ ধারাতেও অভিযোগ নথিভুক্ত হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন:
অভিযোগ দায়েরের পরেই চণ্ডীগড় পুলিশের একটি তদন্তকারী দল মধুর দিল্লির দফতরে হানা দেয় বলে অভিযোগ। তাদের সঙ্গী ছিল দিল্লি পুলিশও। প্রসঙ্গত, একদা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সমর্থক বলে পরিচিত ছিলেন মধু। মোদীকে নিয়ে বইও লিখেছিলেন তিনি। ২০১৯ সালে মুর্শিদাবাদের এক সঙ্গে একটি পরিবারের তিন জনকে খুনের ঘটনা নিয়ে তিনি সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেছিলেন বলে অভিযোগ। চণ্ডীগড়ের সেক্টর ১৯ থানার এসএইচও সরিতা রায় জানিয়েছেন, মধুকে তদন্তে সহযোগিতা করার জন্য বার্তা দিতে গিয়েছিলেন তাঁরা।