আত্মীয়-বন্ধুদের ফোন করে ওই যুবক বলেছিল— ‘আমি মরে যাব। আর বাঁচতে চাই না। আমাকে ক্ষমা করো।’ তার পরই কেটে যায় ফোনের লাইন। পুলিশ জানায়, এর পরই করিমগঞ্জের লঙ্গাই নদীর সেতু থেকে জলে ঝাঁপিয়ে পড়েন সুমিত তরফদার (২৮)। ফোন পেয়ে সেখানে পৌঁছেছিলেন এক বন্ধু। তাঁর চোখের সামনেই তলিয়ে যান সুমিতবাবু। সোমবার রাত ১২টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। দিন কয়েকের বৃষ্টিতে ফুঁসতে থাকা লঙ্গাই নদী থেকে আজ বিকেল পর্যন্ত ওই যুবকের খোঁজ মেলেনি।
পুলিশ জানিয়েছে, নিখোঁজ সুমিতবাবুর বাড়ি মাইবংয়ে। স্ত্রীর সঙ্গে তিনি থাকতেন করিমগঞ্জের লক্ষ্মীচরণ রোডে। অটোরিকশা, গাড়ি ভাড়া দিতেন। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, সুমিতবাবু আত্মঘাতী হয়েছেন। নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার আগে লিটন তরফদার, বাবু দাসদের ফোন করেছিলেন ওই যুবক। আত্মহত্যা করতে যাওয়ার কথা তিনি জানান। বাবু দাসকে লঙ্গাই নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার বিষয়ে জানিয়েছিলেন। ফোন পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ওই নদীর সেতুতে পৌঁছন বাবু। তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন, ঝাঁপ দেওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তে সুমিতবাবু নিজের হাত এগিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু হাত ফসকে নদীতে পড়ে যান।
ঘুষের অভিযোগে বিক্ষোভ। জন্ম-মৃত্যু পঞ্জীকরণ বিভাগের কর্মীদের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠল। এ নিয়ে আজ করিমগঞ্জে ওই দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখায় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। অভিযোগ, টাকা না দিলে সেখান থেকে সার্টিফিকেট সহজে মেলে না। এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে, যাতে ঘুষ না দেওয়ায় দেড় বছরের একটি শিশু এখনও জন্মের শংসাপত্র পায়নি। কিন্তু ২০১৫ সালে জন্মানো অনেকেই টাকা দিয়ে ওই শংসাপত্র হাতে পেয়েছেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে দফতরের আধিকারিক রূপম দাস বলেন, ‘‘নথিকরণের কাগজপত্র গুয়াহাটি থেকে সরবরাহ করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে সময়মতো সেগুলি না পৌঁছলে সমস্যা হয়।’’