জনগণের সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ রাখতে এবং জনগণের কথা ‘সরাসরি’ শোনার উদ্দেশে নতুন করে ওয়েবসাইট উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, ওয়েবসাইটে একতরফা ভাবে মুখ্যমন্ত্রী সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য দেওয়া হলেও জনগণের কথা সরাসরি শোনার কোনও সুযোগই নেই।
ইন্টারনেট ব্যবহার করে দলের বিপণন ও বিজ্ঞাপন করে বলে বিজেপি ও প্রধানমন্ত্রীকে অনেকবার ঠুকেছেন গগৈ। কিন্তু ভোটের আগে নতুন প্রজন্মকে কাছে টানতে ও মানুষের দরবারে নিজের বার্তা আরও ছড়িয়ে দিতে শেষ পর্যন্ত গগৈও ওয়েবসাইট, টুইটার, ফেসবুকের শরণাপন্ন হয়েছেন।
আগেও টুইটার, ওয়েবসাইট ছিল গগৈয়ের। ছেলে ও সাংসদ গৌরব গগৈই বাবাকে নেটদুনিয়ায় টেনে এনেছিলেন। কিন্তু সেই ওয়েবসাইট ছিল পুরনো ধাঁচের। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর সব খবর ও ছবি নিয়ম করে আপডেট করা হচ্ছিল না। তাই আজ রীতিমতো অনুষ্ঠান করে নতুন সাজে নিজের ওয়েবসাইট উদ্বোধন করে গগৈ বলেন, ‘‘জনগণকে সব তথ্য জানাতে, মুখ্যমন্ত্রীর সব কাজ স্বচ্ছভাবে দেখাতে ও আমার সঙ্গে আম-জনতার প্রত্যক্ষ যোগাযোগ স্থাপনের জন্যই নতুন ওয়েবপোর্টাল চালু করা হল। এবার অসমের সব এলাকার মানুষ সরাসরি তাঁদের অভাব-অভিযোগের কথা আমায় জানাতে পারবেন।’’
গগৈ জানান, নতুন ওয়েবপোর্টালটি হালকা হওয়ায় তা সহজেই মোবাইল ও ল্যাপটপ থেকেও খোলা যাবে।
কিন্তু নতুন ওয়েবপোর্টালে প্রত্যক্ষ বা সরাসরি গগৈয়ের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ কই? সেখানে গগৈয়ের জীবনকাহিনী, ভাষণ, সফর, ছবি, বিবৃতি সবই দেখা যাচ্ছে। কিন্তু নিজের কথা জানাতে গেলে ভরসা সচিবালয়ে মুখ্যমন্ত্রী দফতরে ঠিকানা ও ইমেল আইডি। পাশাপাশি ফেসবুকে গগৈয়ের দুটি পেজ আছে। টুইটার হ্যান্ডেলে তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যাও সাড়ে ২৭ হাজার।