তেল এবং কন্ডিশনার ব্যবহারের পরেও যদি চুল রুক্ষ থাকে, তবে বুঝতে হবে চুলের যত্নে প্রথাগত পদ্ধতির বাইরে কিছু পরিবর্তন প্রয়োজন। ঘরোয়া টোটকা ব্যবহার করার সময় এ যুগে পান না অনেকেই। সেক্ষেত্রে সহজ কয়েকটি সমাধান জেনে নিলে কাজ হতে পারে।
১. লিভ-ইন কন্ডিশনার বা হেয়ার সিরামের ব্যবহার
সাধারণ কন্ডিশনার ধুয়ে ফেলার পর তার কার্যকারিতা অনেক সময় বেশিক্ষণ থাকে না। এক্ষেত্রে লিভ ইন কন্ডিশনার বা একটি ভালো মানের হেয়ার সিরাম ব্যবহার করা খুব জরুরি। এটি চুলের ওপর একটি পাতলা আস্তরণ তৈরি করে আর্দ্রতা আটকে রাখে এবং বাইরের শুষ্ক বাতাস থেকে চুলকে রক্ষা করে। চুল ভেজা থাকা অবস্থায় এটি লাগালে রুক্ষতা অনেকাংশে কমে যাবে।
২. হেয়ার স্পা বা ডিপ কন্ডিশনিং মাস্ক
বাজারে এখন নানা ধরনের হেয়ার মাস্ক বা প্রফেশনাল হেয়ার স্পায়ের উপকরণ পাওয়া যায়। সাধারণ কন্ডিশনারের চেয়ে তা অনেক বেশি শক্তিশালী। এতে অনেক বেশি প্রোটিন এবং ময়েশ্চারাইজিং উপাদান থাকে যা চুলের কিউটিকেল পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। সপ্তাহে অন্তত একবার শ্যাম্পু করার পর চুলে ডিপ কন্ডিশনিং মাস্ক লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট রাখুন। সম্ভব হলে হালকা গরম তোয়ালে দিয়ে চুল পেঁচিয়ে ভাপ নিতে পারেন, যা পুষ্টি উপাদানগুলো চুলের গভীরে ঢুকতে সাহায্য করবে।
৩. জীবনযাত্রার পরিবর্তন ও রেশমের বালিশের কভার
অনেক সময় সুতির বালিশের কভারের ঘর্ষণে চুল অতিরিক্ত রুক্ষ ও জট পাকিয়ে যায়। এছাড়া নিয়মিত ড্রায়ার বা স্ট্রেইটনার ব্যবহার করলেও চুল আর্দ্রতা হারায়। সুতির বদলে সিল্ক বা স্যাটিনের বালিশের কভার ব্যবহার করুন। এটি চুলের ঘর্ষণ কমায় এবং প্রাকৃতিকভাবে চুলের তেল শোষণ করে নেয় না। এছাড়া চুল ধোয়ার জন্য অতিরিক্ত গরম জল ব্যবহার করা পুরোপুরি বন্ধ করুন।