চড়া রোদেও বাইরে বেরোতে হবে। তাতে ত্বকের অবস্থা যতই বেহাল হোক না কেন। আর কেবল রোদ নয়, রাস্তার ধুলোবালিও ত্বকে ঢুকে উন্মুক্ত রন্ধ্রের সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। রোদ লাগলে র্যাশ, ব্রণ-ফুস্কুড়ির সমস্যাও হয়। প্রচণ্ড গরমে ত্বক যদি ঠান্ডা রাখতে হয়, তা হলে কিছু নিয়ম মানতে হবে। অনেকে ভাবেন মুখে বরফ ঘষলেই বুঝি জ্বালা কমবে। তা নয়। বরং রূপচর্চা করুন মধু দিয়ে। মধুর অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল গুণ ত্বকের জ্বালাযন্ত্রণা কমাবে। ঘামাচি ও ব্রণের সমস্যারও সমাধান করবে।
মধু দিয়ে কী ভাবে রূপচর্চা করবেন?
কফি-মধুর প্যাক
একটি পাত্রে দু’চামচ করে চিনি, কফি, মধু মেশাতে হবে। মিশ্রণটি ত্বকে ভাল করে মালিশ করে ১৫ মিনিট মতো রেখে দিতে হবে। র পর তা ধুয়ে নিয়ে ময়শ্চারাইজ়ার লাগিয়ে নিতে হবে। এই পদ্ধতিত্বকে রক্ত চলাচল বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে ত্বক আরও উজ্জ্বল দেখায়।
মধু-বেকিং সোডা
আধ চামচ মধু, আধ চামচ হলুদ এবং আধ চামচ বেকিং সোডা একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন। ১০-১৫ মিনিট রেখে হালকা হাতে আঙুল ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ত্বকের মৃত কোষ তোলার চেষ্টা করুন। পরে ঈষদুষ্ণ জলে ধুয়ে ফেলুন।
আরও পড়ুন:
মধুর সঙ্গে গুড়
ত্বকের জেল্লা বৃদ্ধিতে গুড় খুব উপযোগী। তবে ত্বকে গুড় সরাসরি লাগাতে নেই। প্যাক বানাতে দু’চামচ করে গুড়, মধু এবং টক দই একটি পাত্রে মিশিয়ে নিতে হবে। মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে অন্তত ১৫ মিনিট। পরে হালকা গরম জলে তা ধুয়ে নিতে হবে।
মধু-অ্যালোভেরা জেল
১ চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে নিন অ্যালোভেরা জেল। মাস্কটি ভাল করে মুখে ঘাড়ে, এবং যে সব জায়গায় কালচেভাব আছে, লাগিয়ে রাখুন। ১০-১৫ মিনিট পর ঠান্ডা জল দিয়ে মাস্কটি ধুয়ে ফেলুন। আপনার পছন্দের ময়েশ্চারাইজ়ার দিয়ে বা অ্যালোভেরা জেল দিয়ে মুখে মালিশ করে নিন।