রূপচর্চার জগতে নিত্যদিন নতুন নতুন প্রসাধনী আসছে বাজারে। তবে সব প্রসাধনী সব রকম ত্বকের জন্য মোটেও উপযোগী নয়। নিজের ত্বকের ধরন সম্পর্কে যত স্পষ্ট ধারণা থাকবে, ততই ভাল ভাবে ত্বকের যত্ন নিতে পারবেন। রূপচর্চার ক্ষেত্রে ত্বকে নামীদামি সব রকম প্রসাধনী মেখে নিলেই হল না, নতুন যে প্রসাধনীটি ব্যবহার করছেন আদৌ তা ত্বকের জন্য উপযুক্ত কি না, সে সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।
ত্বকের ধরন মূলত উৎপাদিত তেলের (সেবাম) পরিমাণ দ্বারা নির্ধারিত হয়। এটি সাধারণত জিনগত ভাবে নির্ধারিত এবং চাইলেই তা পরিবর্তন করা যায় না। তবে, বয়ঃসন্ধির সময় অনেকের ত্বক অতিরিক্ত তৈলাক্ত হয়ে যায়, এ ছাড়া মেনোপজ়ের সময়েও শুষ্ক ত্বকের সমস্যা শুরু হয় কারও কারও। তাই সব সময় ত্বকের ধরন বোঝা জরুরি।
কী ভাবে বুঝবেন, ত্বকের ধরন কেমন?
এর জন্য প্রথমে একটি মৃদু ফেশওয়াশ দিয়ে খুব ভাল করে ত্বক পরিষ্কার করে নিন। এ বার ঘণ্টা দুয়েক অপেক্ষা করুন। তার পর দু’টি শুকনো টিস্যু পেপার নিন। পরীক্ষাটি মূলত মুখের টি জ়োন (দু’ চোখ আর নাক বরাবর অংশ) আর ইউ জ়োনেই (গাল থেকে থুতনির নীচের অংশ) করতে হবে। ইউ জ়োন আর টি জ়োন টিস্যু দিয়ে মুছে ফেলুন। যদি দেখেন, দু’টো পেপারেই তেল বেরিয়েছে, তা হলে বুঝবেন ত্বক আসলে তৈলাক্ত প্রকৃতির বা অয়েলি স্কিন। যদি ত্বকে টান ধরে আর টিস্যু পেপার দিয়ে মোছার পর কোনও তেল না বেরোয় তা হলে বুঝতে হবে, ত্বকের ধরন শুষ্ক প্রকৃতির বা ড্রাই স্কিন। যদি দেখেন, টি জ়োনটি তৈলাাক্ত আর ইউ জ়োনটি শুষ্ক, তা হলে সেটা কম্বিনেশন স্কিন। আর যদি ত্বকে কোনও রকম টান না ধরে, কোনও রকম তেল না বেরোয় তা হলে বুঝবেন, নর্ম্যাল স্কিন।